হঠাত করেই দেখলেন আপনার গৃহের শান্তি বিঘ্নিত হচ্ছে। বাড়ির সদস্যদের মধ্যে চির ধরছে সম্পর্কে। অর্থনৈতিক সমস্যায় জর্জরিত হতে শুরু করেছেন আপনি। কিংবা ঘন ঘন অসুখে পড়ছেন। আপনি হয়তো যাবতীয় সমস্যাকে সময়ের উপর ছেড়ে দিয়ে কিছুটা হালকা হতে চাইলেন। কিন্তু মনে রাখবেন, এর নেপথ্যে থাকতে পারে অন্য কারও 'নজর' বা অশুভ দৃষ্টি। আপনার স্বপ্নের নীড়ে অন্য কেউ নজর দিলে এমনটা ঘটতে পারে বলে জানাচ্ছে বাস্তুশাস্ত্র। অশুভ দৃষ্টি বা ‘নজর’ লাগা গ্রাম-বাংলার চিরাচরিত বিশ্বাস হলেও, বাস্তুশাস্ত্রে এর বিশেষ ব্যাখ্যা রয়েছে। বিশেষ করে ঘরের ছোট শিশু বা সুখের সংসারে হঠাতই বিনা কারণে অশান্তি শুরু হওয়া এর লক্ষণ। আর এমনটা যদি আপনার সঙ্গে ঘটে, তাহলে অযথা দুশ্চিন্তা করবেন না। বিশেষ দিনে এই ঘরোয়া টোটকাগুলি মেনে চললে সহজেই মিলবে পরিত্রাণ।
প্রতীকী ছবি
কেন লাগে নজর?
বাস্তুশাস্ত্র মতে, রাহু ও কেতুর অশুভ প্রভাব এবং চন্দ্রের দুর্বল অবস্থানের ফলে মানুষের জীবনে নেতিবাচক শক্তির প্রবেশ ঘটে। যখন কারও মনে হিংসে বা অতি-আকাঙ্ক্ষা জন্মায়, তখন তার দৃষ্টির মাধ্যমে এক ধরণের নেতিবাচক তরঙ্গ অন্যের শক্তিবলয়কে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। গৃহে নতুন কোনও শুভ কাজ হলে বা সুখ উপচে পড়লে অনেক সময় এই অশুভ শক্তির প্রভাব পড়ে। ফলে হঠাত শরীর খারাপ, কাজে বাধা বা মানসিক অবসাদ দেখা দেয়।
নজর কাটাতে কী করবেন?
নজর কাটানোর জন্য সপ্তাহের মঙ্গলবার এবং শনিবার সবথেকে শুভ বলে মনে করা হয়। মঙ্গলবার মঙ্গল গ্রহের তেজ এবং শনিবার শনির শুদ্ধিকরণ শক্তি কাজ করে।
মঙ্গলবার: সাতটি শুকনো লঙ্কা ও এক চিমটি সৈন্ধব লবণ নিন। আক্রান্ত ব্যক্তির মাথার চারদিকে অ্যান্টি-ক্লকওয়াইজ ৩ বা ৭ বার ঘোরান। এরপর লঙ্কাগুলো আগুনে পুড়িয়ে দিন। যদি লঙ্কা পোড়ার ঝাঁঝালো গন্ধ না বেরোয়, তবে বুঝতে হবে কুনজর লেগেছিল।
প্রতীকী ছবি
শনিবার: সর্ষে দানা, লবণ ও জোয়ান হাতে নিন। মাথার চারদিকে ৭ বার ঘুরিয়ে মাটির প্রদীপে পুড়িয়ে ফেলুন। ভস্মগুলো বেসিনে ধুয়ে দিন। এতে ঘরের স্থবির হয়ে থাকা শক্তি আবারও সচল হয়ে উঠবে।
