shono
Advertisement
Parenting Tips

যা কিছু নাগালে, খুদে সব পুরছে মুখে, একরত্তির গলায় কিছু আটকালে কী করবেন নতুন বাবা-মা?

আঙুর, বাদাম, পপকর্ন, শক্ত ক্যান্ডি, চুইংগাম, গাজর বা আপেলের বড় টুকরো, মাংসের বড় টুকরো শিশুদের থেকে দূরে রাখাই ভালো।
Published By: Utsa TarafdarPosted: 02:33 PM Sep 07, 2026Updated: 04:05 PM Sep 07, 2026

বাড়ির একরত্তি শিশুটি সারাদিন কী কী নিয়ে খেলছে, বাবা-মায়ের পক্ষে খেয়াল রাখা সম্ভব নয়। কিন্তু এতেই বাড়ে বিপদের সম্ভাবনা। প্রায়শই শিশুরা ছোটখাটো জিনিস নিয়ে খেলতে খেলতে তা মুখের ভিতর ঢুকিয়ে ফেলে। একবার তা শ্বাসনালীতে আটকে গেলে পরিস্থিতি জটিল হয়ে যায়। সময়ে চিকিৎসকের কাছে না নিয়ে যেতে পারলে শিশুটির প্রাণ সংশয় হয়ে দাঁড়ায়।

Advertisement

কোন জিনিসগুলি দূরে রাখবেন শিশুদের থেকে?
খাবারের ক্ষেত্রে আঙুর, বাদাম, পপকর্ন, শক্ত ক্যান্ডি, চুইংগাম, গাজর বা আপেলের বড় টুকরো, মাংসের বড় টুকরো, শক্ত চিজ শিশুদের থেকে দূরে রাখাই ভালো। আঙুর লম্বালম্বি টুকরোয় কেটে দিন। খাওয়ার সময় শিশুকে বসিয়ে রাখুন; হাঁটতে বা খেলতে খেলতে খাওয়াবেন না। বড়দের কাছে যে খাবার নরম মনে হতে পারে, একেবারে ছোট শিশুর গেলার ক্ষেত্রে বাধা হতে পারে তা-ও।

খেলনা এবং ঘরের ছোট জিনিসের ক্ষেত্রেও সতর্ক থাকতে হবে। কয়েন, মার্বেল, পুঁতি, বোতাম, পেনের ঢাকনা, চুলের ক্লিপ, পিন ও ছোট বল শিশুর নাগালের বাইরে রাখুন। অনেক সময় বড় খেলনার ছোট অংশ ভেঙে গিয়েও বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

এই তালিকায় সবচাইতে বিপজ্জনক বুঝি ব্যাটারি! বড়রা অনেক সময়েই টর্চ বা রিমোটের ব্যাটারি পালটে, পুরনো ব্যাটারি ঘরেরই এক কোণে রেখে দেন। ছোট ব্যাটারি গিলে ফেললে শরীরের তরলের সঙ্গে রাসায়নিক বিক্রিয়া হয়ে অল্প সময়ের মধ্যেই খাদ্যনালিতে মারাত্মক ক্ষত তৈরি হয়। এমন বিপদ এড়াতে চাইলে সাবধানতা অবলম্বন করতেই হয়।

শিশুর গলায় হঠাৎ কিছু আটকেছে, কী করে বুঝবেন?

শিশু যদি হঠাৎ কাশতে শুরু করে, বা কাঁদতে কাঁদতে কথা না বলতে পারে, বা শ্বাস নিতে না পারে, তাহলে বুঝতে হবে যে তা গুরুতর ‘চোকিং’-এর (গলায় খাবার আটকে যাওয়া) লক্ষণ। সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

এই অবস্থায় কী কী করবেন না?

১। অনেকে বলেন, সঠিক পদ্ধতিতে পিঠে ও পেটে চাপ দিলে গলায় আটকা যাওয়া জিনিস ছিটকে বাইরে বেরিয়ে আসে। তবে এমনটা করতে গেলে সঠিক পদ্ধতি জানতে হবে। বিশেষত, এক বছরের কম বয়সি শিশুর ক্ষেত্রে এই পদ্ধতি প্রযোজ্য নয়। বরং সাহায্য করতে গিয়ে বিপদ আরও বাড়তে পারে।

২। আচমকা শিশুর মুখের ভিতর আঙুল ঢুকিয়ে আটকে থাকা ক্ষুদ্র জিনিস বের করার চেষ্টা করবেন না। এতে জিনিসটি আরও গভীরে চলে যেতে পারে।

৩। শিশু অচেতন হয়ে গেলে জরুরি চিকিৎসা ও সিপিআর (CPR)-এর প্রয়োজন হতে পারে। তাই প্রত্যেক শিশুর বাবা-মায়েদের উচিত প্রাথমিক স্তরের সিপিআর ও ‘চোকিং ফার্স্ট এড’ শিখে রাখা। বিপদের সময় তা সত্যিই প্রাণ বাঁচাতে পারে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement