মধ্যবিত্ত গেরস্থের রান্নাঘরে এখন লোহা, স্টিল কিংবা অ্যালুমিনিয়ামের কড়াই আর বিশেষ দেখা যায় না। সে জায়গার অধিকাংশই দখল নিয়েছে ননস্টিক। রান্নায় একে তো তেল লাগে কম, আবার বাসন মাজার ঝক্কিও কম - তার ফলে বেশি পছন্দ গৃহিণীর। তাই বলে বছরের পর বছর কি একই হাঁড়ি, কড়াই ব্যবহার করে চলেছেন? তাতে চরম ক্ষতি হতে পারে। পেটের সমস্যায় দৌড়তে হবে চিকিৎসকের কাছে। তাই দেরি করে না করে জেনে নিন ঠিক কোন সময় ননস্টিক হাঁড়ি, কড়াই বদলানো প্রয়োজন।
ননস্টিক প্যানে হ্যান্ডেল থাকেই। তা আটকাতে ব্যবহার করা হয় ছোট ছোট স্ক্রু। অনেক সময় সেগুলি খুলে যায়। তার ফলে হ্যান্ডেল নড়বড়ে হয়ে যায়। আপনার কড়াই কিংবা ননস্টিক প্যানে এই সমস্যা দেখা দিলে আজই বদলান। নইলে গরম খাবার তুলে ধরতে গিয়ে পড়ে যেতে পারে। তাতে পুড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই এই ধরনের প্যান ভুলেও ব্যবহার করবেন না।
অনেক সময় লোহার প্য়ানে লালচে দাগ পড়ে যায়। জং ধরে যায়ও বলতে পারেন। এই অবস্থায় রান্না করলে পেটে ঢুকতে পারে বিষ। হতে পারে নানা শারীরিক সমস্যার কারণ। তাই এমন অবস্থায় তড়িঘড়ি প্যান বদলান।
অনেক সময় ননস্টিকের কালো কোটিং উঠে যায়। আপনার কড়াইয়ের এমন দশা হলে তাতে রান্না করবেন না। এই কড়াই হতে পারে আপনার পেটের আলসারের একমাত্র কারণ।
ননস্টিকের প্যানের নিচের অংশ এবড়োখেবড়ো হয়ে গেলে সাবধান। বুঝতে হবে পাত্রটির আয়ু ফুরিয়েছে। তাই অবিলম্বে এটি বদলান। নইলে বড়সড় বিপদে পড়তে পারেন।
অনেক সময় কাপ গোটা থাকলেও ভিতরে সুতোর মতো ফাটা দাগ দেখা যায়। ওই ধরনের কাপ ভুলেও ব্যবহার করবেন না। বাস্তুমতে এই কাপ অশুভ। আপনার উন্নতির পথে বাধা হতে দাঁড়াতে পারে ফাটা কাপ। আবার পেটেরও ক্ষতি করতে পারে।
নিজের ক্ষতি কেউই চায় না। তাই রান্নাঘরের দিকে আজই নজর দিন। খারাপ হয়ে যাওয়া বাসনপত্র বদল করুন। নইলে আপনার রোজকার ব্যবহৃত বাসনই হয়ে উঠতে পারে রোগের আঁতুড়ঘর।
