যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও বারবার ইন্টারভিউয়ের টেবিল থেকে খালি হাতে ফিরছেন? অনেক সময় কঠোর পরিশ্রম আর মেধার লড়াইয়েও ভাগ্য সঙ্গ দেয় না। জ্যোতিষশাস্ত্র বলছে, এর নেপথ্যে থাকতে পারে আপনার বাস্তুর বাধা। বিশেষ করে কোষ্ঠীতে সূর্যের অবস্থান দুর্বল হলে কর্মসংস্থানে বারবার বাধা আসে। তবে নিরাশ হওয়ার কিছু নেই। শাস্ত্রীয় মতে জীবনধারা ও অভ্যাসে সামান্য কিছু পরিবর্তন আনলেই ফিরতে পারে আপনার কপাল। জেনে নিন কী কী করবেন (Vastu Tips)।
প্রতীকী ছবি
অর্ঘ্যদানে তুষ্ট করুন সূর্যদেবকে
জ্যোতিষ মতে সূর্য হল সাফল্যের কারক। সরকারি চাকরি বা বড় পদে আসীন হতে গেলে রবির কৃপা অপরিহার্য। প্রতিদিন ভোরে ঘুম থেকে উঠে স্নান সেরে একটি তামার পাত্রে জল নিন। তাতে সামান্য কুমকুম মিশিয়ে উদিত সূর্যের উদ্দেশে নিবেদন করুন। ভক্তিভরে গায়ত্রী মন্ত্র জপ করলে গ্রহের নেতিবাচক প্রভাব কেটে গিয়ে আত্মবিশ্বাস বাড়ে।
শিবের অভিষেকে কাটবে কর্মের বাধা
দীর্ঘদিন চেষ্টাতেও ফল না পেলে মহাদেবের শরণাপন্ন হওয়া শ্রেয়। শাস্ত্রীয় বিধান মতে, টানা ৪০ দিন ধরে শিবলিঙ্গে দুধ ও মধুর অভিষেক করুন। এই সময়ে মনে মনে মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র জপ করলে কেরিয়ারের যাবতীয় জটিলতা ও বাধা দূর হয়। শিবের আশীর্বাদে আপনার পরিশ্রম সঠিক দিশা খুঁজে পাবে।
প্রতীকী ছবি
সৌভাগ্যের চাবিকাঠি বৃহস্পতিতে
বৃহস্পতি যদি প্রতিকূল অবস্থানে থাকে, তবে শত চেষ্টাতেও পদোন্নতি আসে না। ভাগ্য সহায় করতে প্রতি বৃহস্পতিবার গরুকে নিয়ম করে গুড় ও ভেজানো ছোলা খাওয়ান। দেবগুরুর কৃপায় আপনার সৌভাগ্যের দ্বার খুলে যাবে এবং যোগ্য সম্মান পাওয়ার পথ প্রশস্ত হবে।
শক্তির আরাধনায় আসুক পদপ্রাপ্তি
মানসিক ক্লান্তি ও অশুভ শক্তি দূর করতে মা দুর্গার আরাধনা করুন। দেবীকে প্রতিদিন টাটকা লাল জবা অর্পণ করে তাঁর '৩২ নামস্ত্রোত্র' পাঠ করার কথা বলছেন বিশেষজ্ঞরা। এতে গ্রহের অশুভ দশা কেটে গিয়ে সাফল্যের সম্ভাবনা তৈরি হয়।
ফাইল ছবি
শনির ফের কাটাতে নারকেল টোটকা
কর্মক্ষেত্রে বারবার ষড়যন্ত্র বা বাধার সম্মুখীন হলে শনিবার একটি বিশেষ কাজ করতে পারেন। একটি আস্ত নারকেলের উপরিভাগ কিছুটা কেটে তার ভেতরে সামান্য চিনি ও ময়দা ভরে দিন। এরপর সেটি কোনও নির্জন জায়গায় মাটির তলায় পুঁতে দিয়ে আসুন। শাস্ত্র মতে, এই প্রক্রিয়ায় কর্মক্ষেত্রের অশুভ দৃষ্টি কেটে যায় এবং জীবনে সুখ-সমৃদ্ধি ফিরে আসে।
