জম্মু ও কাশ্মীরের (Jammu and Kashmir) কিশ্তওয়ার জেলায় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে ধুন্ধুমার গুলির লড়াই। নিহত জঙ্গলে ঘাঁটি গেড়ে থাকা ২ জইশ জঙ্গি। এদিন সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ চাটরু বেল্টের পাসারকুট এলাকায় অভিযান চালায় সেনা, পুলিশ ও সিআরপিএফের যৌথ বাহিনী। এক জঙ্গি খতম হলেও দ্বিতীয় জঙ্গির খোঁজে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পাক মদতপুষ্ট সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠী জইশ-এ-মহম্মদের বেশ কয়েক জন জঙ্গি কিশ্তওয়ারের জঙ্গলে গা-ঢাকা দিয়েছে। এই খবর পেয়ে রবিবার সকালে চাটরু বেল্টের পাসারকুট এলাকায় অপরাশেন চালায় সেনা, পুলিশ ও সিআরপিএফের যৌথ বাহিনী। পাহাড়ের পাদদেশে একটি মাটির ঘরের ভেতর লুকিয়ে ছিল জঙ্গিরা। কাছাকাছি পৌঁছতেই নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি চালাতে শুরু করে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা। পালটা গুলি চালায় যৌথ বাহিনী। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ২ জঙ্গি নিহত হয়েছে গুলির লড়াইয়ে। উদ্ধার হয়েছে দুটি একে-৪৭ রাইফেল। আরও জঙ্গি লুকিয়ে থাকতে পারে, এই আশঙ্কায় এলাকা ঘিরে ফেলে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনী।
বেশ কয়েক জন জঙ্গি জঙ্গলে গা-ঢাকা দিয়েছে। এই খবর পেয়ে রবিবার সকালে অপরাশেন চালায় সেনা, পুলিশ ও সিআরপিএফের যৌথ বাহিনী।
প্রসঙ্গত, আজই দেশজুড়ে বড়সড় নাশকতার ছক বানচাল হয়েছে। আইএসআই ও বাংলাদেশে জঙ্গি গোষ্ঠীর আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধৃতদের দু’জন পশ্চিমবঙ্গে লুকিয়েছিল। বাকিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তামিলনাড়ু থেকে। পুলিশের দাবি, জঙ্গি হামলার ছক কষছিল তারা। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছেন তদন্তকারীরা।
তামিলনাড়ুর তিরুপুর জেলার বিভিন্ন পোশাক কারখানা থেকে মিজানুর রহমান, মহম্মদ শাবাত, উমর, মহম্মদ লিটন, মহম্মদ শহিদ এবং মহম্মদ উজ্জ্বল নামে ছ’জনকে আটক করা হয়েছে। সরকারি সূত্র জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ থেকেও দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের মধ্যে কয়েকজন বাংলাদেশি নাগরিক। পরিচয় গোপন করার জন্য তারা জাল আধার কার্ড ব্যবহার করছিল বলে অভিযোগ। তদন্তকারীদের দাবি, সন্দেহভাজনরা বিদেশি চক্রের নির্দেশে ভারতে একটি বড় সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনা করছিল। অভিযুক্তদের আরও জিজ্ঞাসাবাদ এবং আইনি প্রক্রিয়ার জন্য দিল্লিতে আনা হচ্ছে।
