শুক্রবার সকাল থেকে নিখোঁজ। অবশেষে দুই তরুণীর দেহ মিলল মন্দিরের শৌচাগারে। পাশে পড়ে ইঞ্জেকশনের সিরিঞ্জ। কয়েকটি বোতলও। পুলিশের অনুমান, দুই তরুণী নিজেদের শরীরে ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে বিষ প্রবেশ করিয়ে 'আত্মঘাতী' হয়েছেন।
ঘটনাটি ঘটেছে গুজরাটের সুরাটে। মৃত দুই তরুণী কলেজ পড়ুয়া। শুক্রবার সকালে তাঁরা কলেজে যাওয়ার নাম করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। কিন্তু তারপর দুপুরের পরও তাঁরা বাড়ি ফেরেননি। বাড়ির সদস্যরা অনেক খোঁজাখুঁজির পরও সন্ধান পাননি। মোবাইলে ফোন করলেও তাঁদের ফোনে পাওয়া যায়নি। প্রথমে ফোন বেজে গেলেও পরে তা সুইচ অফ বলতে থাকে। পুলিশে নিখোঁজের অভিযোগ করেন পরিবারের সদস্যরা।
তদন্তে নেমে পুলিশ তরুণীদের মোবাইল লোকেশন ট্র্যাক করে। ফোনের লোকেশন ট্র্যাক করে দেখা যায় শেষবার তাঁদের ফোন অন ছিল স্বামীনারায়ণ মন্দির চত্বরে। সেখানে গিয়ে দেখা যায়, তাঁদের স্কুটি পড়ে মন্দিরের বাইরে। খতিয়ে দেখা হয় মন্দিরের সিসিটিভি ফুটেজ। সেখানেই দুই তরুণীকে একসঙ্গে বাথরুমে ঢুকতে দেখা যায়। তারপর নির্দিষ্ট শৌচাগারেই যেতেই উদ্ধার হয় দুই তরুণীর দেহ। তাঁদের মৃতদেহের পাশ থেকে একটি সিরিঞ্জ ও তিন বোতল বিষাক্ত ওষুধের বোতল উদ্ধার করা হয়েছে। দুই তরুণীর মোবাইল ঘেটে দেখা গিয়েছে, তারা অনলাইনে সার্চ করেছিলেন 'কীভাবে আত্মহত্যা করা যায়'। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান তাঁরা আত্মঘাতী হয়েছেন। কিন্তু কেন? তা নিয়ে রহস্যদানা বেঁধেছে।
দেহ দুটি ময়নাতদন্তে পাঠানোর পাশাপাশি সিরিঞ্জ, ওষুধের বোতল ও ফোন ফরেনসিককে পাঠানো হয়েছে। মামলা দায়ের করে তদন্তে নেমেছে পুলিশ। তদন্তকারী এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ময়নাতদন্ত ও ফরেনসিক পরীক্ষার রিপোর্ট আসার পরে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
