বিরাট আয়োজন করে ৩০০ বছরের প্রাচীন মন্দিরের সৌন্দর্যায়ন করেছিল উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) যোগী সরকার। তবে বর্ষার জল পেতেই ধসে গেল তিন শতাব্দী প্রাচীন বাবা বৈজুনাথের মন্দির। রবিবার দুপুরে ভেঙে পড়ার পর আপাতত পূজা-অর্চনা চালিয়ে যেতে মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ সরানোর কাজ শুরু হয়েছে। এই ঘটনা ঘটেছে সন্ত কবিরনগর জেলার বাসওয়ারী গ্রামে। মন্দিরটি ফের নির্মাণের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে প্রশাসনের তরফে।
গত ২৫ জুন এই মন্দিরে প্রার্থনা করতে এসেছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তাঁর সফরের আগে মহাআড়ম্বরে সংস্কার ও সৌন্দর্যায়ন করা হয়েছিল মন্দিরটি। স্থানীয়দের দাবি, অত্যন্ত জাগ্রত এই মন্দিরে প্রতি সোমবার পুজো দিতে ভক্তদের ঢল নামে। জানা যাচ্ছে, গত রবিবার ভোর থেকে এলাকায় হালকা বৃষ্টি শুরু হয়েছিল। সেই বৃষ্টির জেরে মন্দিরে ফাটল দেখা যায়। এরপর দুপুর ১টা নাগাদ মন্দিরের গর্ভগৃহের গম্বুজ ও পিছনের ৭০ শতাংশ হুড়মুড়িয়ে ধসে পড়ে। আপাতত মন্দিরের বারান্দাটুকু ছাড়া কার্যত পুরো মন্দিরটি ধুলিসাৎ হয়ে গিয়েছে। এই ঘটনার সময় মন্দিরে বহু ভক্তের ভিড় ছিল। সৌভাগ্যবশত দুর্ঘটনায় কেউ আহত হননি।
মন্দিরের গর্ভগৃহের গম্বুজ ও পিছনের ৭০ শতাংশ হুড়মুড়িয়ে ধসে পড়ে। আপাতত মন্দিরের বারান্দাটুকু ছাড়া কার্যত পুরো মন্দিরটি ধুলিস্যাৎ হয়ে গিয়েছে।
জানা যাচ্ছে, ৩০০ বছরের প্রাচীন এই মন্দির পুরনো লাখোরি ইট ও সুড়কি দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল। মন্দির ধ্বংসের খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছন ধানঘাটার বিধায়ক গণেশ চৌহান, জেলা প্রশাসন অলোক কুমার, পুলিশ সুপার সন্দীপ কুমার মীনা এবং অন্যান্য আধিকারিকরা। প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে শিবলিঙ্গটিকে সুরক্ষিত করার। যাতে শ্রাবণ মাসে মন্দিরে পূজা-অর্চনার কোনও অসুবিধা না হয়। জেলাশাসক অলোক কুমার জানিয়েছেন, প্রাচীন এই মন্দির সরকারের তরফ থেকে পুনর্নির্মাণ করা হবে।
