shono
Advertisement
Delhi-NCR

দিল্লির বাতাসে 'বিষ', ৭৫ শতাংশ পরিবারেই অসুখের করাল থাবা!

দিল্লি থেকে গাজিয়াবাদ, সর্বত্র একই ছবি।
Published By: Biswadip DeyPosted: 03:53 PM Oct 31, 2025Updated: 03:53 PM Oct 31, 2025

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভালো নেই দিল্লি! দীপাবলির পর ভয়ংকর আকার নিয়েছে রাজধানীর দূষণ। পরিস্থিতি সামাল দিতে কৃত্রিম বৃষ্টি নামানোর চেষ্টা করেও মেলেনি সাফল্য। দীর্ঘ সময় ধরে দূষণের 'ছোবলে' জেরবার জনজীবন। নয়া সমীক্ষায় ধরা পড়ল ভয়ানক ছবি। প্রতি চারটি পরিবারের মধ্যে তিনটি পরিবারেই অন্তত একজন অসুস্থ। 'কমিউনিটি প্ল্যাটফর্ম লোকালসার্কেলস' নামের এক সংস্থা ওই সমীক্ষা চালিয়েছে।

Advertisement

দিল্লি, গুরুগ্রাম, নয়ডা, ফরিদাবাদ, গাজিয়াবাদের ১৫ হাজার পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছে ওই সংস্থা। আর তাতেই দেখা গিয়েছে, গত মাস থেকে কীভাবে ওই সব অঞ্চলে দূষণ বাড়তেই অসুস্থতা লাফিয়ে বেড়েছে। গত সেপ্টেম্বরে যেখানে ওই সব পরিবারের মধ্যে ৫৬ শতাংশ ক্ষেত্রে অসুস্থতা ছিল, সেখানে এখন তা বেড়ে হয়েছে ৭৫ শতাংশ। রাজধানী জুড়ে চিকিৎসকরা H3N2 ইনফ্লুয়েঞ্জা এবং অন্যান্য ভাইরাল সংক্রমণের বৃদ্ধির কথা জানাচ্ছেন। ক্রমাগত জ্বর এবং কাশি থেকে শুরু করে গলাব্যথা, ক্লান্তির মতো উপসর্গ দেখা যাচ্ছে। বাসিন্দাদের দাবি, সেরে উঠতে দশদিনেরও বেশি সময় লেগে যাচ্ছে।

প্রসঙ্গত, দীপাবলির পর থেকেই বিষাক্ত হয়ে উঠেছে দিল্লির বাতাস। তাই ‘ক্লাউড সিডিং’-এর ব্যবস্থা করেছিল দিল্লি সরকার। মঙ্গলবার তার ট্রায়াল হয়। কিন্তু বৃষ্টি হয়েছে না-হওয়ার-মতো। অথচ ইতিমধ্যেই তিনটি ব্যর্থ ট্রায়াল বাবদ প্রায় ১.০৭ কোটি টাকা খরচ হয়ে গিয়েছে। কিন্তু লাভের লাভ কিছু হয়নি। বরং লাফিয়ে বাড়ছে দূষণ।

সময়সীমা বেঁধে দীপাবলিতে ‘সবুজ বাজি’তে সম্মতি দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। তবে সে সময়সীমা বাস্তবে কার্যকর হয়নি। রাতভর অবিরাম আতশবাজির দৌরাত্ম্যে দূষণে হয়ে উঠেছিল দিল্লির বাতাস। বাতাসের গুণগত মান (AQI) ৪৫১তে পৌঁছে যায়। যা ‘ভীষণ খারাপ’ পর্যায়ে পড়ে। এরপর বেশ কয়েকটা দিন কেটে গেলেও 'দমবন্ধ' অবস্থা কাটেনি দিল্লির। আর এই পরিবেশে বাড়ছে অসুস্থতা। বাড়ছে উদ্বেগ।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
  • দীর্ঘ সময় ধরে দূষণের 'ছোবলে' জেরবার দিল্লির জনজীবন।
  • নয়া সমীক্ষায় ধরা পড়ল ভয়ানক ছবি।
  • প্রতি চারটি পরিবারের মধ্যে তিনটি পরিবারেই অন্তত একজন অসুস্থ।
Advertisement