সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আগেই সোনপ্রয়াগ থেকে কেদারনাথ পর্যন্ত ১২.৯ কিলোমিটার দীর্ঘ রোপওয়ে তৈরির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। সেই যাত্রা সুগম করতে এবং পুণ্যার্থীদের সুবিধার্থে এবার ৭ কিলোমিটার দীর্ঘ সুড়ঙ্গপথ তৈরির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে! সুড়ঙ্গটি কালীমঠ উপত্যকার চৌমাসিকে সোনপ্রয়াগের সঙ্গে সংযুক্ত করবে বলে জানা গিয়েছে।
বছর বছর পুণ্যার্থীদের সংখ্যা বাড়ছে কেদারনাথে। সেই কারণেই যাত্রাপথ সহজ করার কথা ভাবছে কেন্দ্র। সূত্রের খবর, যাওয়া-আসার জন্য দু'টি আলাদা সুড়ঙ্গপথ তৈরি হবে। এর ফলে সোনপ্রয়াগে যাওয়ার বিকল্প পথ তৈরি হবে। সুড়ঙ্গের ভিতরে থাকবে আপাতকালীন গলিপথ। যাতে করে প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা অন্য কোনও বিপদ হলে সুড়ঙ্গ থেকে দ্রুত বেরিয়ে আসা যায়। উল্লেখ্য, ৪ হাজার ৮১ কোটি টাকার রোপওয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত করবে আদানি গোষ্ঠী। আগামী ছয় বছরের মধ্যে কেদারনাথে রোপওয়ে প্রকল্পের কাজ সম্পূর্ণ হবে।
প্রসঙ্গত, অমরনাথের পরে ভারতের অন্যতম কঠিন হিন্দু তীর্থযাত্রা হল উত্তরাখণ্ডের কেদার ও বদ্রী। অতীতের তুলনায় পথ সুগম হয়েছে। সোনপ্রয়াগ থেকে গৌরীকুণ্ড পর্যন্ত ৫ কিলোমিটার রাস্তা এখন গাড়িতে যাওয়া যায়। তার পরেও গৌরীকুণ্ড থেকে ১৬ কিলোমিটার পাহাড়ি পথে ট্রেকিং করে কেদারনাথ পৌঁছতে হয়। এই কঠিন পথই এবার প্রবীণ ও বিশেষভাবে সক্ষম মানুষের জন্যও সুগম হতে চলেছে। সময়ও লাগবে অনেক কম। এখন কেদারনাথ পৌঁছতে গৌরীকুণ্ড থেকে পায়ে হেঁটে, ঘোড়ায় চেপে বা পালকিতে চেপে যে রাস্তা পার হতে ৮ থেকে ৯ ঘণ্টা সময় লাগে, রোপওয়ের মাধ্যমে তা মাত্র ৩৬ মিনিটেই হয়ে যাবে! এই রোপওয়ের সঙ্গেই সংযুক্ত হবে সুড়ঙ্গপথ।
