বারামতি বিমানবন্দরে অবতরণের সময় প্রথম বার ব্যর্থ হয়েছিলেন পাইলট। তার পর আবার অবতরণের চেষ্টা করেন তিনি। সেই সময়েই ভেঙে পড়ে অজিত পাওয়ারের বিমানটি। এমনই তথ্য দিল বিমানের গতিবিধি নজরদার সংস্থা 'ফ্লাইটরেডার২৪'।
প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, যে মাঝারি মাপের চার্টার্ড বিমানে করে মুম্বই থেকে বারামতী যাচ্ছিলেন এনসিপি প্রধান অজিত, সেটি ছিল লিয়ারজেট ৪৫ মডেলের 'ভিটি-এসএসকে' বিমান। বম্বার্ডিয়ার এরোস্পেস সংস্থার তৈরি এই বিমানটি বুধবার সকালে বারামতিতে ভেঙে পড়ে। এক্স হ্যান্ডলে 'ফ্লাইটরেডার২৪' জানিয়েছে, "বারামতি এয়ারপোর্টে দ্বিতীয়বার অবতরণ করছিল বিমানটি। সেই সময়েই দুর্ঘটনাটি ঘটে।"
বিমানটিতে অজিত-সহ পাঁচ জন ছিলেন। তাঁদের মধ্যে দু’জন ছিলেন উপমুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তারক্ষী এবং দু’জন ছিলেন বিমানকর্মী। অসামরিক বিমান পরিবহণ নিয়ামক সংস্থা ডিজিসিএ জানাচ্ছে, দুর্ঘটনায় পাঁচ জনেরই মৃত্যু হয়েছে। কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখতে একটি দল বারামতি বিমানবন্দরে পাঠাচ্ছে ডিজিসিএ।
বারামতি বিমানবন্দরের ম্যানেজার শিবাজি তাওয়াড়ে জানান, ভিটি-এসএসকে বিমানটি রানওয়েতে অবতরণের চেষ্টা করার সময়ে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। অবতরণের সময়ে রানওয়ের একটি ধারে ভেঙে পড়ে লিয়ারজেট ৪৫। মাটিতে আছড়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে আগুন ধরে যায় তাতে।
এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ‘অজিত পাওয়ার জননেতা ছিলেন। তৃণমূল স্তর পর্যন্ত তাঁর যোগাযোগ ছিল। মহারাষ্ট্রের জনগণের সেবায় তাঁর সর্বদা অগ্রণী ভূমিকা থাকত। পরিশ্রমী এবং সর্বজন সম্মানিত অজিতের মৃত্যু অত্যন্ত দুঃখজনক।” ঘটনায় সঠিক তদন্তের দাবি জানিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি লেখেন, "অজিত পওয়ারের আকস্মিক মৃত্যুতে গভীরভাবে মর্মাহত এবং স্তম্ভিত। আজ সকালে বারামতীতে এক ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী এবং তাঁর সহযাত্রীদের মৃত্যু হয়েছে। এ এক বিরাট ক্ষতি।"
