১০০ ফুট উপর থেকে আছড়ে পড়ে মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের বিমান। তার পর একের পর এক বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। বারামতি দুর্ঘটনার হাড়হিম বর্ণনা দিলেন এক প্রত্যক্ষদর্শী।
বুধবার সকালে মহারাষ্ট্রের বারামতি বিমানবন্দরে অবতরণের সময় প্রথম বার ব্যর্থ হয়েছিলেন পাইলট। তার পর আবার অবতরণের চেষ্টা করেন তিনি। সেই সময়েই ভেঙে পড়ে অজিতের বিমানটি। উড়ানটিতে তিনি ছাড়াও ছিলেন আরও চার জন। তাঁদের মধ্যে দু’জন ছিলেন উপমুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তারক্ষী এবং দু’জন ছিলেন বিমানকর্মী। অসামরিক বিমান পরিবহণ নিয়ামক সংস্থা ডিজিসিএ জানাচ্ছে, দুর্ঘটনায় পাঁচ জনেরই মৃত্যু হয়েছে।
কিন্তু কীভাবে ঘটেছিল দুর্ঘটনা? এক প্রত্যক্ষদর্শীর কথায়, “বিমানটি প্রথমবার অবতরণের চেষ্টা করলে ব্যর্থ হয়। তাই দ্বিতীয়বার উড়ানটি অবতরণের চেষ্টা করে। প্রায় ১০০ ফুট উপর থেকে বিমানটি দ্রুত গতিতে নিচে নামতে থাকে। তখনই মনে হচ্ছিল, বিমানটি ভেঙে পড়বে। ঠিক তা-ই ঘটল। প্রায় ১০০ ফুট উপর থেকে বিমানটি মাটিতে আছড়ে পড়ে। ঠিক তারপরই চার থেকে পাঁচটি বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে থাকে। কালো ধোঁয়ায় ঢাকে আকাশ।” তিনি আরও বলেন, “দুর্ঘটনার পরই আরও লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। যাত্রীদের উদ্ধারের চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু প্রচণ্ড আগুনের কারণে আমরা কাছেই যেতে পারিনি।”
প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, যে মাঝারি মাপের চার্টার্ড বিমানে করে মুম্বই থেকে বারামতী যাচ্ছিলেন এনসিপি প্রধান অজিত (Ajit Pawar), সেটি ছিল লিয়ারজেট ৪৫ মডেলের ‘ভিটি-এসএসকে’ বিমান। বম্বার্ডিয়ার এরোস্পেস সংস্থার তৈরি এই বিমানটি বুধবার সকালে বারামতিতে ভেঙে পড়ে। এক্স হ্যান্ডলে ‘ফ্লাইটরেডার২৪’ জানিয়েছে, “বারামতি এয়ারপোর্টে দ্বিতীয়বার অবতরণ করছিল বিমানটি। সেই সময়েই দুর্ঘটনাটি ঘটে।”
