shono
Advertisement
AIMIM

'মুখ্যমন্ত্রী হতে চান? ওয়েইসির হাত ধরুন', উত্তরপ্রদেশ নির্বাচনে অখিলেশকে পরামর্শ মিমের

২০২৭ সালে উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচনকে মাথায় রেখে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে সমাজবাদী পার্টি। এবারের নির্বাচনে সপার লক্ষ্য 'পিডিএ' ফর্মুলা। যার অর্থ হল, 'পিছড়া, দলিত, অল্পসংখ্যক'।
Published By: Amit Kumar DasPosted: 05:59 PM Aug 30, 2026Updated: 06:00 PM Aug 30, 2026

'মেরেছ কলসির কানা, তা বলে কী প্রেম দেব না।' সপা প্রধান অখিলেশ যাদব 'বিজেপির বি-টিম' বলে যতই অপমান করুক, নির্বাচনী ময়দানে তা গায়ে মাখতে নারাজ অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলেমিন (মিম)। নির্বাচনমুখী উত্তরপ্রদেশে সপা প্রধান অখিলেশকে তাই মিমের পরামর্শ, মুখ্যমন্ত্রী হতে চাইলে মিম প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়েইসির সমর্থন নেওয়া হোক। সম্প্রতি এমনটাই জানিয়েছেন মিম নেতা শাদাব চৌহান।

Advertisement

২০২৭ সালে উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচনকে মাথায় রেখে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে সমাজবাদী পার্টি। এবারের নির্বাচনে সপার লক্ষ্য 'পিডিএ' ফর্মুলা। যার অর্থ হল, 'পিছড়া, দলিত, অল্পসংখ্যক'। এই প্রসঙ্গেই মিম নেতা শাদাব বলেন, "ওয়েইসিকে ছাড়া অখিলেশের রাজনৈতিক কৌশল অসম্পূর্ণ। কারণ অখিলেশের পিডিএ ফর্মুলার 'এ' ওয়েইসি ছাড়া অসম্পূর্ণ।" একইসঙ্গে বলেন, "অখিলেশ যাদব যদি মুখ্যমন্ত্রী হতে চান তাহলে তাঁকে আসাদউদ্দিন ওয়েইসির সাহায্য নিতেই হবে। যতদিন না ওয়েইসি অখিলেশের পিডিএ-তে 'এ' হয়ে উঠছেন, ততদিন তিনি ক্ষমতায় আসার স্বপ্ন দেখতে পারবে না। মুসলিম ভোটাররা মনস্থির করে ফেলেছেন তাদের ভোট এমন নেতার পক্ষে যাবে যিনি তাদের স্বার্থের প্রতিনিধিত্ব করবেন।"

মিমের বার্তা, 'অখিলেশ যদি মুখ্যমন্ত্রী হতে চান তাহলে তাঁকে ওয়েইসির সাহায্য নিতেই হবে। যতদিন না ওয়েইসি অখিলেশের পিডিএ-তে 'এ' হয়ে উঠছেন, ততদিন তিনি ক্ষমতায় আসার স্বপ্ন দেখতে পারবে না।'

উল্লেখ্য, উত্তরপ্রদেশে এর আগে দু'বার নির্বাচন লড়ে শোচনীয়ভাবে পরাস্ত হয়েছে অখিলেশ যাদবের সমাজবাদী পার্টি। এই অবস্থায় আসাদউদ্দিন ওয়েইসির দল চায় আসন্ন নির্বাচনে অখিলেশ যাদবের দল তাদের সঙ্গে জোট করুক। সম্প্রতি এক সভায় স্পষ্ট ভাষায় ওয়েইসি বলেছিলেন, "মজলিশ চায় না উত্তরপ্রদেশে আবারও বিজেপি সরকার গড়ুক। আমি আপনার সঙ্গে হাত মেলাতে প্রস্তুত। আমি জোট গড়তে প্রস্তুত। তাই জোট নিয়ে আলোচনা করতে হলে এখনই করতে হবে। পরে ভোট পেরিয়ে গেলে কান্নাকাটি করে লাভ হবে না।” ওয়েইসির সাফ কথা, “আপনারা বলেন আমার দল ভোটে লড়লে আপনাদের ক্ষতি হয়। সেটা যেন না হয় সেজন্যই আমি আপনাদের সঙ্গে লড়তে চাই। সামনা সামনি-সমানে সমানে কথা বলতে চাই।”

তবে মিমের তরফে প্রস্তাব এলেও সে জোটের পথে হাঁটা যথেষ্ট চাপের সপার জন্য। অতীতের নির্বাচনে বিরোধী জোটের হারার জন্য মিমকে বিজেপির বি টিম বলে কটাক্ষ করেছেন অখিলেশ। তবে উত্তরপ্রদেশের মুসলিম বেল্টগুলিতেও প্রভাব ব্যাপক বাড়ছে মিমের। এই অবস্থায় প্রশ্ন হল, তাহলে কি অখিলেশ শেষমেশ ওয়েইসির হাত ধরবেন? তাতেও সমস্যা। একে তো কংগ্রেসের সঙ্গে সমাজবাদী পার্টির জোট রয়েছে। সেই জোট বিধানসভাতেও চলবে। সমস্যা হল, কংগ্রেস জোটে থাকলে সেই জোটে ওয়েইসির হাত ধরা অসম্ভব। তাছাড়া ‘সাম্প্রদায়িক’ ওয়েইসির সঙ্গে জোট করলে সেটা বিজেপির হাতে ব্রহ্মাস্ত্র তুলে দেওয়ার শামিল হবে। ইতিমধ্যেই বিজেপি নেতারা বলতে শুরু করেছেন, “ওয়েইসি এবং অখিলেশ যাদব দু’জনেই তোষণে সিদ্ধহস্ত। দু’জনের ভোটব্যাঙ্কও একই। তাই জোট করবেন সেটাই স্বাভাবিক।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement