shono
Advertisement
Appendix surgery

পাথর হয়েছিল পিত্তথলিতে, অস্ত্রোপচার হল অ্যাপেনডিক্স! কাঠগড়ায় এনআরএস হাসপাতাল

রিপোর্ট হাতে এলেই তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়।
Published By: Tiyasha SarkarPosted: 10:23 PM Aug 30, 2026Updated: 10:23 PM Aug 30, 2026

পিত্তথলিতে পাথর হয়েছিল। অস্ত্রোপচার হল অ্যাপিনডিক্সের! এ ঘটনা যাঁর সঙ্গে ঘটেছে তিনি পূর্ব কলকাতার বেলেঘাটার প্রান্তিক পরিবারের বাসিন্দা গোপাল পোড়েল (৪৭)। একশো দিনের কাজ করেন গোপালবাবু। বেশ কয়েকদিন ধরে পেটের ডানদিকে ব্যথা ছিল। আল্ট্রাসোনোগ্রাফিতে ধরা পড়ে পিত্তথলিতে পাথর। গোপালবাবুর অভিযোগ, নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজে তাঁর গলব্লাডার স্টোন অস্ত্রোপচারেরই কথা ছিল। সার্জারি বিভাগে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা নিরিক্ষাও হয়। কিন্তু ভুলবশত তাঁর অ্যাপিনডিক্স-এর অস্ত্রোপচার করে দেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি জনসমক্ষে আনেন গোপালবাবুর এলাকার বিধায়ক কুণাল ঘোষ।

Advertisement

স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. শারদ্বত মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, বিধায়ক কুণাল ঘোষের সঙ্গে কথা বলেছেন। কথা হয়েছে এন আর এস এর প্রিন্সিপাল সঙ্গেও। রবিবার থাকায় রিপোর্ট হাতে মেলেনি। আগামিকাল রিপোর্ট পেলে অবশ্যই তদন্ত শুরু হবে। এদিকে গলব্লাডার স্টোনের অস্ত্রোপচার না হওয়ায় গোপালবাবুর পেট ব্যাথা কমেনি বিন্দুমাত্র। মারাত্মক ব্যথা হচ্ছিল পেটের ডানদিকে। চিকিৎসক দেখান ফের। সেখানেই দেখা যায় পিত্তথলির পাথর যেমন কে তেমন আছে। অস্ত্রোপচার হয়েছে অন্য। শেষমেশ স্থানীয় বিধায়ক কুণাল ঘোষের স্মরণাপন্ন হন। আাগামিকাল, সোমবার আনন্দলোক হাসপাতালে তাঁর গল ব্লাডার স্টোন হবে। বছর সাতচল্লিশের গোপালবাবু এই মুহুর্তে ভর্তি আনন্দলোক হাসপাতালে। তাঁকে রবিবার হাসপাতালে দেখতে যান বেলেঘাটার বিধায়ক।

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রতি বিধায়কের আর্জি, “মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ত্রাণ তহবিল থেকে এই আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষটিকে সাহায্য করা হোক। নয়তো উনি বিপদে পড়ে যাবেন। মনে রাখতে হবে এই ভদ্রলোক ১০০ দিনের কাজ করেন। এখন অস্ত্রোপচার করার পর বেশ কিছুদিন উনি কাজ করতে পারবে না। ওঁনাকে চিকিৎসার খরচ ছাড়াও আর্থিক সাহায্য করা হোক।” নীলরতনের যে চিকিৎসকের ভুলে এমনটা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করা হয়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ের কাছেও।

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, “এনআরএসের উপর যদি পরিবারের আস্থা না থাকে এসএসকেএমে ভর্তির কথা বলেছিলাম। কিন্তু রোগীর পরিবার জানিয়েছে, যেহেতু বেসরকারি হাসপাতালে টাকা দিয়ে ফেলেছে, তাই আজ সোমবার সেখানেই অপারেশন হবে। সেই কারণে ওরা এসএসকেএমএ ভর্তি করতে চায়নি।” জানা যাচ্ছে, মুখ্যমন্ত্রীর তহবিল থেকে যদি রোগীর পরিবারকে সাহায্য দেওয়া যায় সেই চেষ্টা করছে স্বাস্থ্য দপ্তর।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement