সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশে অ্যাসিড হামলার শিকার দুই নাবালিকা। রাতের অন্ধকারে বাড়িতে ঢুকে ঘুমন্ত দুই নাবালিকার উপর অ্যাসিড হামলা চালাল দুষ্কৃতীরা। অ্যাসিড হামলায় মুখ ও চোখ ঝলসে গিয়েছে ১৫ ও ১৭ বছর বয়সি ওই দুই কিশোরীর। গুরুতর আহত অবস্থায় দুজনেই ভরতি হাসপাতালে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
[ফের ট্রেন দুর্ঘটনা উত্তরপ্রদেশে, লাইনচ্যুত কৈফিয়ত এক্সপ্রেসের ৯টি কামরা]
আক্রান্ত ওই দুই নাবালিকার বাড়ি বরেলি জেলার নবাবগঞ্জের তান্ডা এলাকায়। মঙ্গলবার রাতে বাড়ির উঠোনে একসঙ্গে শুয়েছিল তারা। পরিবারের লোকেদের অভিযোগ, রাতের অন্ধকারে উঠোনের পাঁচিল টপকে বাড়িতে ঢোকে দুষ্কৃতীরা। এরপর ওই দুই কিশোরীকে লক্ষ্য করে অ্যাসিড ছোড়া হয়। ঘটনার সময়ে পরিবারের অন্য সদস্যরাও সেখানে ছিলেন। কিন্তু, কেউ কিছুই টের পাননি। আক্রান্ত ওই দুই নাবালিকার বাবা বলেন, ‘মেয়েদের কান্নার আওয়াজে আমাদের ঘুম ভেঙে যায়।’ গুরুতর আহত অবস্থায় ওই দুই নাবালিকাকে ভরতি করা হয়েছে বরেলি জেলা হাসপাতালে। হাসপাতালের তরফে জানানো হয়েছে, অ্যাসিড হামলায় দুজনের মুখ ও চোখ-সহ শরীরের উপরের দিকে অনেকটা অংশ ঝলসে গিয়েছে। অবস্থা আশঙ্কাজনক। আক্রান্ত নাবালিকার বাবা জানিয়েছে, চিকিৎসার জন্য ওই দুই নাবালিকাকে লখনউ নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।ঘটনায় অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন আক্রান্তদের বাবা। তদন্তও শুরু করেছে পুলিশ। কিন্তু, হঠাৎ করে কেন ওই দুই নাবালিকার উপর অ্যাসিড হামলা চালানো হল? কারাই বা এ কাজ করল? তা নিয়ে ধন্দে পুলিশ।
[‘তিন তালাক’ মন্তব্যের জের, সোশ্যাল মিডিয়ায় হেনস্তার শিকার কাইফ]
প্রসঙ্গত, চলতি মাসে বরেলির নবাবগঞ্জেই একই পরিবারের দুই মেয়েকে জ্যান্ত পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করে অজ্ঞাত পরিচয় দুষ্কৃতীরা। একই কায়দায় রাতের অন্ধকারে দরজা ভেঙে বাড়িতে ঢোকে দুষ্কৃতীরা। এরপরই ঘুমন্ত অবস্থায় দুই বোন গুলশন ও ফিজার গায়ে পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। পরে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় দুই বোনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভরতি করেন পরিবারের লোক ও প্রতিবেশীরা। ঘটনায় অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। গঠন করা হয়েছে বিশেষ তদন্তকারী দল।
[এই অসুখের প্রকোপেই প্রাণ হারাচ্ছে দেশের শিশুরা!]
The post যোগীর রাজ্যে বাড়িতে ঢুকে দুই কিশোরীর উপর অ্যাসিড হামলা দুষ্কৃতীদের appeared first on Sangbad Pratidin.
