দেশের প্রধানমন্ত্রী প্রকাশ্যে তাঁকে ‘বস’ বলে সম্বোধন করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং থেকে শুরু করে বিজেপির তাবড় তাবড় নেতা সকলেই তাঁর নির্দেশে কাজ করতে বাধ্য। অথচ বিজেপির সদ্য নির্বাচিত সভাপতি নীতীন নবীন এতদিন ছিলেন সাধারণ বিধায়ক। যা কিনা বিজেপি সভাপতি হিসাবে একেবারেই বেমানান। এবার সেই পরিস্থিতি বদলাতে চলেছে। রাজ্যসভায় যাচ্ছেন নীতীন।
নীতীন এই মুহূর্তে বিহারের বিধায়ক। কিছুদিন আগে পর্যন্ত সে রাজ্যের মন্ত্রী ছিলেন। দলের কার্যকরী সভাপতি হওয়ার পর মন্ত্রিত্ব ছাড়েন। কিন্তু বিধায়ক পদ ছাড়েননি। এবার তাঁকে রাজ্যসভার প্রার্থী করা হল বিহার থেকেই। মঙ্গলবার দলের তরফে রাজ্যসভার ৯ আসনের জন্য প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। তাতে নাম রয়েছে নীতীনের। অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে প্রথম সারির কোনও নেতার নাম নেই। অবশ্য মহারাষ্ট্রের প্রার্থীর নাম বিজেপি এখনও ঘোষণা করেনি।
সচরাচর যে কোনও দলের বড় নেতারা একবার শীর্ষস্তরে নির্বাচিত হয়ে গেলে রাজ্য রাজনীতিতে থাকেন না। তাঁরা দিল্লির রাজনীতিতে মনোনিবেশ করেন। সারা দেশের রাজনীতিতে মনোনিবেশ করেন। সেক্ষেত্রে রাজ্যসভার সাংসদ হিসাবে যোগ দেওয়ার নজির রয়েছে। অতীতে অমিত শাহ যখন বিজেপি সভাপতি নিযুক্ত হলেন, তখনও তিনি গুজরাটের বিধায়ক ছিলেন। বেশ কিছুদিন পরে তাঁকে রাজ্যসভায় পাঠানো হয়। সেই একই পথে হাঁটলেন নীতীন নবীনও। বিহারের বিধায়ক পদ ছেড়ে এবার তিনি জাতীয় রাজনীতিতে।
