যুদ্ধে ইরানের হার এখন সময়ের অপেক্ষা মাত্র। ইতিমধ্যে ধ্বংস হয়ে গিয়েছে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা, বিমান বাহিনী, নৌবাহিনী এবং শীর্ষ নেতৃত্ব। মঙ্গলবার ট্রুথ সোশালের পোস্টে জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এমনকী তাঁর দাবি, বিপদ বুঝে "ইরান সমঝোতায় আসতে চাইছে, কিন্তু দেরি হয়ে গিয়েছে।"
ইরান যুদ্ধের মধ্যে ওয়াশিংটন পোস্টে একটি নিবন্ধ লিখেছেন কলমচি মার্ক থিসেন। সেখানে তিনি দাবি করেছেন, এই হামলা কোনও "চিরস্থায়ী যুদ্ধের" সূচনা নয়। বরং এটি আমেরিকা এবং ইরান সরকারের মধ্যে দীর্ঘ ৪৭ বছরের সংঘাতের চূড়ান্ত পরিণতি। মার্কের আরও দাবি, স্থল সেনার প্রয়োজন নেই, মার্কিন বিমান হামলাই ইরানের নেতৃত্ব এবং সামরিক কাঠামোকে দুর্বল করে দিতে যথেষ্ট। এই নিবন্ধ প্রকাশের পরেই ট্রুথ শোসালে রণহুঙ্কার ট্রাম্পের---ইতিমধ্যে ধ্বংস হয়ে গিয়েছে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা, বিমান বাহিনী, নৌবাহিনী এবং শীর্ষ নেতৃত্ব। মার্কিন প্রেসিডেন্টের আরও দাবি, ইরান সমঝোতা চেয়েছিল কিন্তু দেরি হয়ে গিয়েছি। ট্রাম্পের বক্তব্যে বাস্তবতা থাকলে খুব শিগগির শেষ হবে ইরান যুদ্ধ।
এদিকে ফের ইজরায়েলে বড় হামলা চালাল আমেরিকা-ইজরায়েল। আলি খামেনেইর মৃত্যুর পর পরবর্তী অস্থায়ী ‘আয়াতোল্লা’ বা সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা বেছে নিয়ছিল যে কমিটি, তাদের দপ্তরটিকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় গুঁড়িয়ে দেওয়া হল। হামলার পর দক্ষিণ তেহরানের বিধ্বস্ত বহুতলটির ছবি ও ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সোশাল মিডিয়ায়।
উল্লেখ্য, শনিবার ইরানে হামলা চালায় আমেরিকা-ইজরায়েল। ওই হামলায় মৃত্যু হয়েছে ৮৭ বছরের আয়াতোল্লা আলি খামেনেইর। এর পরই ইজরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলি লক্ষ্য করে বেপরোয়া হামলা শুরু করে তেহরান। দুপুরের পর দুবাইয়ের বিভিন্ন স্থানে বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া যায়। পাম জুমেইরাহ এলাকায় বিস্ফোরণের কথা নিশ্চিত করেছে সে দেশের প্রশাসন। শুধু তা-ই নয়, বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু ইমারত বুর্জ খলিফার কাছেও একাধিক বিস্ফোরণ হয়েছে বলে জানা যায়। নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে শনিবারই খালি করে দেওয়া হয় বুর্জ খলিফা। রবি ও সোমবারও হামলা থামেনি। সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, আবুধাবিতে একটি নৌসেনা ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। হামলা চলেছে রিয়াধে আমেরিকার দূতাবাসেও।
