shono
Advertisement
Ayodhya Non-Veg Row

অযোধ্যায় আঁশটে গন্ধে রুষ্ট বিজেপি! কংগ্রেসের অনুষ্ঠানে মৎস্যভোজ? পালটা দিল রাহুলের দল

কংগ্রেস সাংসদ পবন খেরা বিজেপির অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, অজয় রাই নিরামিষাশী। বিজেপি আসলে প্রশ্নপত্র ফাঁস, রাম মন্দিরের অনুদান চুরির মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রসঙ্গগুলিকে আড়াল করতে চাইছে।
Published By: Kishore GhoshPosted: 02:53 PM Aug 24, 2026Updated: 04:46 PM Aug 24, 2026

অযোধ্যায় আঁশটে গন্ধে রুষ্ট বিজেপি! অভিযোগ, উত্তরপ্রদেশের কংগ্রেস সভাপতির স্বাগত অনুষ্ঠানে নেতা-কর্মীদের পাতে পড়েছিল সুস্বাদ মাছের পদ। এই নিয়ে বিতর্ক চরমে উঠেছে। রাম জন্মভূমিতে মাছ পরিবেশন করায় প্রশ্ন তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ-সহ একাধিক গেরুয়া নেতা। রাহুল গান্ধীর দলকে শাসক দলের নেতারা মনে করিয়ে দিয়েছেন, পবিত্র শ্রাবণ মাস এখনও শেষ হয়নি। এই সময়ে মাছ খাওয়া মানুষের ভাবাবেগে আঘাত করার সমান। পালটা রাম মন্দিরে অনুদান চুরির প্রসঙ্গ টেনে তোপ দেগেছে কংগ্রেসও।

Advertisement

কংগ্রেস সাংসদ পবন খেরা বিজেপির অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, অজয় রাই নিরামিষাশী। বিজেপি আসলে প্রশ্নপত্র ফাঁস, রাম মন্দিরের অনুদান চুরির মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রসঙ্গগুলিকে আড়াল করতে চাইছে। তিনি শাসকদলকে চ্যালেঞ্জ করেছেন--- কংগ্রেস সভাপতি মাছ খাচ্ছেন, এমন একটিও ছবি দেখাতে পারলে সানন্দে পদত্যাগ করব। নাম না করে যোগী আদিত্যনাথকে নিশানা করেন খেরা। তিনি বলেন, অভিযোগকারীর কাছে যদি "ছবি না থাকে, তবে তাঁর পদত্যাগ করা উচিত। গেরুয়া পোশাক পরে তিনি প্রতিদিন মিথ্যা বলেন।"

অজয় রাই নিরামিষাশী হলেও অনুষ্ঠানস্থলের বেশ কিছু ভিডিও সামনে এসেছে। (ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি সংসদ প্রতিদিন ডিজিটাল)। সেখানে দেখা গিয়েছে, ভাজা মাছে ভর্তি একটি বড় পাত্র রাখা। পাশে লোকজন মাছ ধোয়া ও কাটার কাজ করছেন। কেউ কেউ পেঁয়াজ ও অন্যান্য সবজি কাটছেন। একটি কাপড় দিয়ে রান্নার জায়গাটিকে মূল তাঁবু থেকে আলাদা করা। যেখানে কংগ্রেসের অনুষ্ঠানটি চলছিল। জানা গিয়েছে, অনুষ্ঠানে পরিবেশিত খাবারের কথা জানতে পেরে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা প্রথমে প্রতিবাদ জানান। এরপর বিজেপি নেতারাও এতে শামিল হন। রাম জন্মভূমির প্রতি অসম্মান প্রদর্শন করা হচ্ছে,  মানুষের ভাবাবেগে আঘাত দেওয়ার অভিযোগ এনে কংগ্রেস নেতাদের সমালোচনা করেন তাঁরা।

কংগ্রেসের অনুষ্ঠানে মাছ খাওয়ার বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেন, "আপনারা নিশ্চয়ই দেখেছেন যে কংগ্রেস সদস্যরা কীভাবে আমাদের ঐতিহ্যের প্রতি অসম্মান প্রদর্শন করেন। কংগ্রেস সভাপতি অযোধ্যায় গিয়ে হনুমান গড়ি মন্দিরে পূজা দেন। তারপরই মাছ খান। নির্লজ্জতার একটা সীমা থাকা উচিত।"

কংগ্রেস সভাপতিকে স্বাগত জানাতে এবং দলে সদ্য যোগ দেওয়া নতুন সদস্যদের সংবর্ধনা দিতে কংগ্রেস নেতা রাম নিহাল নিষাদ এই ভোজসভার আয়োজন করেছিলেন। তিনি মাছ খাওয়ার বিষয়টিকে স্বীকার করে নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, এর মধ্যে অন্যায়ের কী রয়েছে? তিনি বলেন "খাবার খাওয়ায় কীসের দোষ? আমরা কেন মাছ খেতে পারব না? ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি সংবিধান কার্যকর হওয়ার পর থেকে যে কেউ যা খুশি খেতে পারেন।" তিনি আরও বলেন, নিষাদ সম্প্রদায়ের কাছে মাছ ধরা ও মাছ খাওয়া ঐতিহ্যের অংশ।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement