বাংলায় হেরে উত্তরপ্রদেশে জিততে মরিয়া বিজেপি, মাথাব্যথা নেই করোনা নিয়ে! তোপ শিব সেনার

03:33 PM May 26, 2021 |
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গত এপ্রিল থেকে করোনার (Coronavirus) দ্বিতীয় ঢেউয়ের ধাক্কায় বেসামাল দেশ। কিন্তু পরিস্থিতির মোকাবিলা নিয়ে চিন্তিত নয় বিজেপি (BJP)। দেশের শাসক দলের মাথাব্যথা কেবল নির্বাচনে জেতা। এভাবেই গেরুয়া শিবিরকে কাঠগড়ায় তুলল শিব সেনা (Shiv Sena)। বুধবার দলীয় মুখপত্র ‘সামনা’র সম্পাদকীয়তে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বকে কটাক্ষ করে তাদের অভিযোগ, করোনা নিয়ে মাথা না ঘামিয়ে আপাতত ২০২২ সালে উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) বিধানসভা নির্বাচনে জেতার দিকেই মন তাদের।

Advertisement

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

ঠিক কী লেখা হয়েছে ওই সম্পাদকীয়তে? জনপ্রিয় মারাঠি দৈনিকে দাবি করা হয়েছে, ‘‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi), স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) ও উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) একটি বৈঠক করেছেন। যার বিষয় ‘মিশন উত্তরপ্রদেশ’। যেন সমাধান করার মতো আর কোনও ইস্যু নেই দেশে। একটাই কাজ পড়ে আছে। ভোট ঘোষণা করা আর তাতে লড়া। সেজন্য বড় বড় জনসভা আর রোড শো করা।’’ সংসদীয় গণতন্ত্রে নির্বাচনের প্রয়োজনীয়তার কথা স্বীকার করে নিয়েও শিব সেনার প্রশ্ন, বর্তমান পরিস্থিতিতে কি সত্যিই নির্বাচনকেই অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত? শিব সেনা লিখেছে, ‘‘নিজেদের ভাবমূর্তি কী করে উন্নত করা যায় এবং উত্তরপ্রদেশে জেতা যায় এই নিয়েই বিজেপি ব্যস্ত। বিশেষ করে পঞ্চায়েত নির্বাচনে হেরে যাওয়ার পরে।’’

[আরও পড়ুন: অ্যালোপ্যাথি নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে রামদেবের বিরুদ্ধে দায়ের ১ হাজার কোটির মানহানির মামলা]

কেবল উত্তরপ্রদেশ নয়, আলোচনায় উঠে এসেছে পশ্চিমবঙ্গ, অসমের নির্বাচনের কথাও। প্রসঙ্গত, অসমে তিন দফায় ভোট হয়েছিল। আর বাংলায় হয়েছিল আট দফায়। শিব সেনার মতে, অতগুলি দফায় ভোট না করে এক দফাতেই ভোট সম্পন্ন করা উচিত ছিল।

Advertising
Advertising

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

প্রসঙ্গক্রমে উঠে এসেছে উত্তরপ্রদেশের নদীতে ভেসে যাওয়া করোনায় মৃতদের শবের প্রসঙ্গ। ওই সম্পাদকীয়তে লেখা হয়েছে, ‘‘গঙ্গায় ভাসতে থাকা শবদেহের সারি গোটা বিশ্বের চোখে জল এনেছে।’’ পাশাপাশি শিব সেনার দাবি, উত্তরপ্রদেশের মতো বড় রাজ্যগুলিতে করোনা মোকাবিলায় ব্যর্থ সরকার। এর প্রভাব পড়বে ২০২২ বিধানসভা নির্বাচন ও ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে।

[আরও পড়ুন: অ্যালোপ্যাথি নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে রামদেবের বিরুদ্ধে দায়ের ১ হাজার কোটির মানহানির মামলা]

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
Advertisement
Next