সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অপরাধ করলেও কারও বাড়ি ভাঙা যায় না! সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশিকা উপেক্ষা করে নাগপুরে গোষ্ঠী হিংসার পর মহারাষ্ট্র সরকার একটি নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর মানুষের বাড়ি ও দোকান ভাঙা শুরু করেছে বলে অভিযোগ। ইতিমধ্যে ভেঙে ফেলা হয়েছে নাগপুর হিংসায় অন্যতম অভিযুক্ত ফাহিম খানের বাড়ির একাংশ। এর বিরুদ্ধে বম্বে হাই কোর্টে আবেদন করা হয়। তাতে জনতার পক্ষে রায় দিয়ে বুলডোজ়ারে প্রয়োগে অবিলম্বে স্থগিতাদেশ জারি করল আদলত।

নাগপুরে বিতর্কের সূত্রপাত হয় মোগল সম্রাট ঔরঙ্গজেবের সমাধি নিয়ে। যার পর সেখানে গোষ্ঠী হিংসা ছড়ায়। পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক হলেও অভিযোগ, একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর নাগরিকদের মহল্লায় বুলডোজার শাসন চালাচ্ছে প্রশাসন। বেআইনি নির্মাণের যুক্তি দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে বাড়ি ও দোকান। উপেক্ষা করা হচ্ছে খোদ সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকা।
বম্বে হাই কোর্টে আবেদনে সুপ্রিম কোর্টের রায় উল্লেখ করে মামলা করা হয়। সোমবার শুনানি শেষে বুলডোজার চালানো বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে বম্বে হাই কোর্ট। এই সঙ্গে আইন অমান্য করায় প্রশাসনকে ভর্ৎসনা করে আদালত। বিচাপতি প্রশ্ন তোলেন, কেন বাড়ির মালিককে না জানিয়ে বুলডোজার চালানো হল? যশোধরা নগর এলাকার সঞ্জয় বাগ কলোনিতে হিংসায় অভিযুক্ত দুই ব্যক্তির বাড়ির একাংশকে বুলডোজার চালিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। মামলার পরবর্তী শুনানি ১৫ এপ্রিল।