বুধবার তিনি আসেননি সংসদে। অবশেষে বৃহস্পতিবার রাজ্যসভায় রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর ভাষণের উপর ধন্যবাদজ্ঞাপক ভাষণ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আর সেই সময় পড়লেন প্রবল বিরোধিতার মুখে। তাঁর ভাষণ ঢাকা পড়ে যাচ্ছিল বিরোধীদের 'স্বৈরাচার চলবে না' স্লোগানে! এই সময় কংগ্রেসের জাতীয় সভাপতি ৮৩ বছরের মল্লিকার্জুন খাড়গেকে অভিনব খোঁচা দিলেন প্রধানমন্ত্রী। মোদির সরস টিপ্পনী, ''বয়স হয়েছে, বসে স্লোগান দিন।'' পরে বিরোধীরা ওয়াক আউট করেন এমন মন্তব্যের প্রতিবাদে। বিরোধীশূন্য কক্ষেই ভাষণ দেন মোদি। আরও একবার কাঠগড়ায় তোলেন কংগ্রেসকে।
এদিন রাজ্যসভায় মোদি খাড়গেকে খোঁচা মারার পাশাপাশি বলেন, বহু তরুণ রাজ্যসভায় উপস্থিত রয়েছেন। বরং তাঁরা দাঁড়িয়ে স্লোগান দিন। কিন্তু খাড়গের উচিত বসেই স্লোগান দেওয়া। কেননা তাঁর বয়স হয়েছে। দাঁড়িয়ে থাকলে অসুবিধা হবে। মোদির এমন মন্তব্যের পর বিরোধীরা প্রতিবাদে আরও বেশি মুখর হয়ে ওঠেন। স্লোগান দিতে থাকেন তাঁরা। তবে এই প্রতিবাদ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। কিছুক্ষণের মধ্যেই ওয়াক আউট করেন বিরোধী সাংসদরা। এরপর মোদি ফের খোঁচা মেরে বলেন, ''ওঁরা সব ক্লান্ত হয়ে গিয়েই চলে গিয়েছেন।'' পরে কংগ্রেসকে খোঁচা মেরে মোদি বলেন, ''বিশ্বে ভারতের ভাবমূর্তি নষ্ট করেছে ওরা। আমার সময় লেগেছে সেটা বদলাতে।'' আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে সুর চড়ানোর সময় হইহট্টগোলের জেরে মঙ্গলবার আট বিরোধী সাংসদকে সাসপেন্ড করা হয়। তা নিয়ে বুধবার উত্তাল ছিল সংসদ। বৃহস্পতিবারও সেই উত্তাপের আঁচ পাওয়া গেল।
মোদির ভাষণ ঢাকা পড়ে যাচ্ছিল বিরোধীদের 'স্বৈরাচার চলবে না' স্লোগানে! এই সময় কংগ্রেসের জাতীয় সভাপতি ৮৩ বছরের মল্লিকার্জুন খাড়গেকে অভিনব খোঁচা দেন প্রধানমন্ত্রী। মোদির সরস টিপ্পনী, ''বয়স হয়েছে, বসে স্লোগান দিন।''
উল্লেখ্য, বুধবার সংসদমুখো হননি মোদি। বৃহস্পতিবার জানা গেল বিস্ফোরক তথ্য... কংগ্রেস নাকি মোদিকে শারীরিক ভাবে আক্রমণ করার পরিকল্পনা করেছিল! এমনটা আন্দাজ করেই লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার পরামর্শে জবাবি ভাষণ এড়িয়ে যান প্রধানমন্ত্রী। যদিও কংগ্রেস এই দাবিকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে। তখনই জানা গিয়েছিল, বৃহস্পতিবার ভাষণ দেবেন মোদি। আর সেইমতো এদিন বিকেল পাঁচটা নাগাদ রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখতে শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী।
