"মা-বাবা আমি তোমাদের ভালোবাসি", চিরকুটে লিখে আত্মহত্যা করলেন দ্বাদশ শ্রেণিতে ভালো ফল করা এক নিট (NEET) পরীক্ষার্থী। উত্তরাখণ্ডের দেরাদুনের নিজের বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন ২৩ বছরের ওই মেধাবী তরুণী। প্রশ্ন উঠছে, নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের জেরেই কি প্রাণ গেল তাঁর?
দেরাদুন পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতার নাম রিয়া কুমারী থাপা। ১৯৯৯ সালের কার্গিল যুদ্ধের এক সেনানায়কের মেয়ে তিনি। এদিন সকালে রিয়া দরজা না খোলায় বাড়ির লোকেরা চিন্তায় পড়েন। বারবার ডাকাডাকি করলেও দরজা খোলেননি তরুণী। এরপর দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকলে তরুণীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ এলে ঘর থেকেই উদ্ধার হয় একটি সুইসাইড নোট। যেখানে তরুণী লিখেছেন, "মা, বাবা, আমি তোমাদের ভালোবাসি। আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দোষী নয়।"
দেরাদুনের পুলিশকর্তা অঙ্কিত কাণ্ডারি বলেন, "সুইসাইট নোটে তরুণী মা-বাবার প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন। তাঁর মৃত্যুর জন্য কাউকে দোষ করেননি। চরম সিদ্ধান্তের জন্য নিজের অযোগ্যতাকে দায়ী করেছেন।" তরুণী জানিয়েছেন, আশা অনুযায়ী ফল করতে পারেননি বলেই নিজেকে শেষ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যদিও দ্বাদশের পরীক্ষায় ৯৭ শতাংশ নম্বর পেয়ে পাশ করেন রিয়া কুমারী থাপা। তিনি প্রশ্নপত্র ফাঁসের পর আগামী ২১ জুন দ্বিতীয়বার অনুষ্ঠিতব্য নিট পরীক্ষায় বসার জন্য তৈরি হচ্ছিলেন। প্রশ্ন উঠছে, প্রথমবার ভালো পরীক্ষা দিয়েও নিট প্রশ্নফাঁসের জেরে অবসাদে ভুগছিলেন তরুণী? সেই কারণেই কি প্রাণ গেল তাঁর?
