রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর শিল্পায়নকে নতুন করে গতি দেওয়ার লক্ষ্যে উদ্যোগী হয়েছে নবান্ন। সেই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেই মুম্বইয়ে টাটা গোষ্ঠীর শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শিল্প দপ্তরের প্রতিনিধিদল। নবান্ন সূত্রে খবর, বৈঠকে সিঙ্গুরের ন্যানো প্রকল্প সংক্রান্ত ক্ষতিপূরণের বিষয়টি যেমন গুরুত্ব পেয়েছে, তেমনই পশ্চিমবঙ্গে নতুন করে বিনিয়োগের জন্য টাটা (TATA Motors) গোষ্ঠীকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণও জানানো হয়েছে। এরপরই বাংলায় টাটার ফেরা নিয়ে তৈরি হয়েছে আশার আলো।
এর আগে রাজ্যের শিল্পমন্ত্রী তাপস রায় জানিয়েছিলেন, টাটা গোষ্ঠীকে ফের পশ্চিমবঙ্গে ফিরিয়ে আনাই সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। তাঁর বক্তব্য ছিল, অতীতের তিক্ততা ভুলে রাজ্যে শিল্পবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলে দেশের প্রথম সারির শিল্প গোষ্ঠীগুলিকে বাংলায় বিনিয়োগে উৎসাহিত করতে চাইছে নতুন সরকার।
জানা গিয়েছে, সিঙ্গুরে ছোট গাড়ির কারখানা প্রকল্প বাস্তবায়িত না হওয়ায় সালিশি ট্রাইবুনাল টাটা গোষ্ঠীর পক্ষে ৭৬৫ কোটি ৭৮ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। ওই ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া নিয়েও বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। সেইসঙ্গে রাজ্যের শিল্পোন্নয়নের নতুন রূপরেখা তুলে ধরে উৎপাদন শিল্প, তথ্যপ্রযুক্তি, পরিকাঠামো-সহ একাধিক ক্ষেত্রে সম্ভাব্য বিনিয়োগের সুযোগের কথা টাটা প্রতিনিধিদের সামনে তুলে ধরা হয়। ভবিষ্যৎ বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে প্রাথমিক পর্যায়ের মতবিনিময়ও হয়েছে।
এর আগে রাজ্যের শিল্পমন্ত্রী তাপস রায় জানিয়েছিলেন, টাটা গোষ্ঠীকে ফের পশ্চিমবঙ্গে ফিরিয়ে আনাই সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। তাঁর বক্তব্য ছিল, অতীতের তিক্ততা ভুলে রাজ্যে শিল্পবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলে দেশের প্রথম সারির শিল্প গোষ্ঠীগুলিকে বাংলায় বিনিয়োগে উৎসাহিত করতে চাইছে নতুন সরকার। এমনকী বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের বক্তব্যেও একাধিকবার টাটার কথা উঠে এসেছে। টাটাকে ফেরানোই যে লক্ষ্য তাও জানান তিনি। এহেন পরিস্থিতিতে মুম্বইয়ে টাটার সঙ্গে শিল্প দপ্তরের প্রতিনিধিদলের বৈঠক খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। প্রসঙ্গত, রাজ্যের রাজনৈতিক মহলের একাংশ বলেছে, সিঙ্গুর বিতর্ক দীর্ঘদিন ধরেই বাংলার শিল্পায়নে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
