দেশের তিন রাজ্যে সাম্প্রদায়িক অশান্তি! মধ্যপ্রদেশের জব্বলপুরে একটি দুর্গামন্দিরে ভাঙচুরের ঘটনায় হিংসা ছড়ায়। পাথর ছোঁড়া এবং হাতাহাতির ঘটনা ঘটে সেখানে। কর্নাটকের বাঘালকোটে শিবাজী জয়ন্তীর মিছিলে অশান্তি হয়, যখন সেটি একটি মসজিদের পাশ দিয়ে যাচ্ছিল। অন্যদিকে হায়দরাবাদে রমজানের নমাজকে কেন্দ্র করে অশান্তি ছড়িয়েছে বলে খবর। তিন রাজ্যের অশান্তিতে কেউ হতাহত হননি। পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ করায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
বৃহস্পতিবার রাতে জবলপুরের সিহোরা তহশিলের একটি দুর্গামন্দিরে ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। এর পর দুই গোষ্ঠীর মধ্যে পাথরবৃষ্টি শুরু হয়। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, মন্দিরে সন্ধ্যার আরতি এবং কাছের একটি মসজিদে প্রার্থনা একই সময়ে চলছিল, তখনই গোলমাল শুরু হয়। যদিও ঝামেলা বড় আকার ধারণ করার আগেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জ করে আইন রক্ষকরা। বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার রাতে জবলপুরের সিহোরা তহশিলের একটি দুর্গামন্দিরে ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। এর পর দুই গোষ্ঠীর মধ্যে পাথরবৃষ্টি শুরু হয়।
কর্নাটকের বাঘলকোটে শিবাজী জয়ন্তী পালিত হচ্ছিল। এই উপলক্ষে একটি মিছিল স্থানীয় পাঙ্ক মসজিদের পাশ দিয়ে যাচ্ছিল। হিন্দু গোষ্ঠীর দাবি, সেই সময় মসজিদের ভিতর থেকে মিছিল লক্ষ করে পাথর ছোড়া হয়। একটি পাথর পুলিশ সুপার সিদ্ধার্থ গোয়েলের মাথায় লাগায় তিনি আহত হন। একটি সূত্রে খবর, মিছিল ডিজে বাজানো নিয়ে আপত্তি করে মুসলিম গোষ্ঠীর লোকেরা। কারণ ডিজেতে 'মন্দির এহি বানায়েঙ্গে' স্লোগান দেওয়া হচ্ছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বাঘলকোট শহরে কারফিউ জারি হয়েছে। পাথর ছোড়ার অভিযোগে আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। হায়দরাবাদের রমজানের প্রার্থনার গোলমাল অবশ্য পুলিশ তৎপরতায় বেশিদূর এগোয়নি।
