ঠিক এক বছর আগে গোমূত্রকে 'মহৌষধি' বলেছিলেন তিনি। 'সেই কারণেই পদ্ম পুরস্কারের শিকে ছিঁড়ল।' আইআইটি মাদ্রাজের ডিরেক্টর অধ্যাপক ভি কামাকোটির 'পদ্মশ্রী' প্রাপ্তি নিয়ে খোঁচা দিল কংগ্রেস। উল্লেখ্য, ২০২২ থেকে আইআইটি মাদ্রাজের ডিরেক্টর পদে রয়েছেন কামাকোটি। শিক্ষা ও গবেষণায় অবদানের জন্য তাঁকে চলতি বছরের পদ্মশ্রী দিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার।
পদ্মশ্রী প্রাপ্তির সংবাদ পেয়ে সংক্ষপ্তি পত্রিকায় ভি কামাকোটি বলেন, "আমার কাছে এই পুরস্কারের অর্থ একটাই, তা হল ২০৪৭ সালের বিকশিত ভারত-এর লক্ষ্যে সর্বোত্তম প্রচেষ্টা চালানো। এই পুরস্কার আমার একার নয়, এটি একটি সম্মিলিত চেষ্টার ফসল।" এর পরেই আসরে নামে কেরল কংগ্রেস। সমাজমাধ্যমে তারা খোঁচা দিয়ে লিখেছে, "ভি কামাকোটিকে এই সম্মান প্রাপ্তির জন্য অভিনন্দন। গোমূত্রকে বিশ্বমঞ্চে পৌঁছে দেওয়ার জন্য এবং আইআইটি মাদ্রাজে গোমূত্রের উপর আপনার গবেষণার রাষ্ট্র এই স্বীকৃতি দিয়েছে।"
উল্লেখ্য, গত বছর মাদ্রাজ আইআইটি-র ডিরেক্টর অধ্যাপক ভি কামাকোটি বলেন, গোমূত্র ‘অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল’ (ব্যাকটেরিয়া বিরোধী) এবং অ্যান্টি ফাঙ্গাল (ফাঙ্গাল বিরোধী)। আইবিএস-সহ একাধিক রোগ সারে গোমূত্র পান করলে। সমাজমাধ্যমে এই বক্তব্যের ভিডিও ভাইরাল হতেই শুরু হয় বিতর্ক। আইআইটির ডিরেক্টর দাবি করেন, “গোমূত্রের ‘অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল’ (ব্যাকটেরিয়া বিরোধী) এবং অ্যান্টি ফাঙ্গাল (ফাঙ্গাল বিরোধী) গুণ বিজ্ঞানভিত্তিক ভাবে প্রমাণিত হয়েছে। আমেরিকার নামী জার্নালে সেই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।”
গোমূত্রের উপকারিতা, সোনা থাকা ইত্যাদি বিষয়গুলি নিয়ে এর আগে রামদেব বাবার মতো যোগগুরুদের মন্তব্য করতে দেখা গিয়েছে। একজন বিজ্ঞানের অধ্যাপক ও গবেষকার মুখে একথা শোনায় অবাক হয়েছিল দেশ। প্রশ্ন উঠছে, গবেষণার জন্য নাকি গেরুয়া লাইনে হাঁটায় পদ্ম পুরস্কার পেলেন কামাকোটি?
