সম্প্রতি সারা দেশের বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলিতে চালু হয়েছে ইউজিসির নয়া বিধি। যে বিধির লক্ষ্যই সমাজের সমস্ত শ্রেণির জন্য সমান, নিরাপদ এবং সম্মানজনক শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা। কিন্তু এই বিধি ঘিরে বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মুখ খুললেন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। জানিয়ে দিলেন, কেউই এই আইনের অপব্যবহার করতে পারবে না।
এদিন শিক্ষামন্ত্রীকে আশ্বাসের সুরে বলতে শোনা গিয়েছে, ''কোনও বৈষম্য থাকবে না, কেউ আইনের অপব্যবহার করতে পারবে না।'' কিন্তু কেন এই নয়া বিধি ঘিরে বিতর্ক। আসলে এই নতুন ‘প্রোমোশন অফ ইকুইটি ইন হায়ার এডুকেশন ইনস্টিটিউশন আইন, ২০২৬’ অনুসারে যে একাধিক বিষয়েই জোর দেওয়া হয়েছে। যার মধ্যে অন্যতম ধর্ম, লিঙ্গ কিংবা জাতিগত কোনও ধরনে বৈষম্য দূর করা। ইউজিসির দেওয়া তথ্য অনুসারে, পাঁচ বছরে বর্ণ বৈষম্যের অভিযোগ ১১৮.৪% বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৯-২০ সালে যেখানে ১৭৩টি অভিযোগ জমা পড়েছিল, সেখানে ২০২৩-২৪ সালে অভিযোগের সংখ্যা বেড়ে ৩৭৮টিতে দাঁড়িয়েছে।
দেশের কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়গুলির কাছে বৈষম্য দূর করার পদক্ষেপটি নিশ্চিত করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইউজিসির নতুন নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে একটি সুযোগ-সাম্য কেন্দ্র স্থাপন করতে হবে। যা পুলিশ ও জেলা প্রশাসন, স্থানীয় সমাজমাধ্যম, জেলা প্রশাসন এবং পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে চলবে।
আর তা থেকেই দানা বেঁধেছে বিতর্ক। সোশাল মিডিয়া কিংবা ইউটিউবাররা অনেকেই দাবি করেছেন, এই আইন আসলে উচ্চবর্ণ বিরোধী আইন। এমনকী, স্বামী আনন্দ স্বরূপের ভিডিওয় উচ্চবর্ণের প্রতিনিধিদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানানোর পর বিতর্ক আরও চরমে উঠেছে। ট্রেন্ডিং হয়ে গিয়েছে #ShameonUGC। এই পরিস্থিতিতে মুখ খুললেন শিক্ষামন্ত্রী।
