সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: টানা বেশ কয়েকদিন ধরে দেশের কোভিড-১৯ (COVID-19) গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী। সেই ধারা বজায় রইল নতুন সপ্তাহেও। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের সাম্প্রতিকতম তথ্য অনুযায়ী, দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে (Coronavirus) সংক্রমিত হয়েছেন মোট ২৬,২৯১ জন। একই সময়ের মধ্যে করোনার ছোবলে মৃত্যু হয়েছে ১১৮ জনের। দৈনিক অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা। কেন্দ্রের পরিসংখ্যান থেকে আরও জানা গিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় মারণ ভাইরাসের কামড় থেকে সুস্থ হয়ে ফিরেছেন ১৭,৪৫৫ জন।
গোটা বিশ্বের পাশাপাশি ২০২০ সালে মার্চের প্রথমার্ধ্ব অর্থাৎ প্রায় এই সময় থেকেই নোভেল করোনা ভাইরাসের দাপট বেড়েছিল ভারতে (India)। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত দেশে মোট কোভিড আক্রান্ত ১ কোটি ১৩ লক্ষ ৮৫ হাজার ৩৩৯। এর মধ্যে অবশ্য ১ কোটি ১০ লক্ষ ৭ হাজার ৩৫২ জন সুস্থ হয়ে ফিরেছেন। এই মুহূর্তে অ্যাকটিভ কেস ২ লক্ষ ১৯ হাজার ২৬২টি। এখনও পর্যন্ত করোনার থাবায় প্রাণ হারিয়েছেন মোট ১ লক্ষ ৫৮ হাজার ৭২৫ জন।
[আরও পড়ুন: ভারতে শিকড় ছড়িয়েছে ইসলামিক স্টেট! দেশের ৩ রাজ্যে অভিযান NIA-এর]
নতুন বছরের শুরুতে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি জোড়া ভ্য়াকসিন দিয়ে শুরু হয়েছে গণ টিকাকরণ। ইতিমধ্যে টিকাকরণের সংখ্যা ৩ কোটি ছুঁইছুঁই। তার জেরে পরিস্থিতির খানিকটা উন্নতি হলেও, নয়া ব্রিটেন স্ট্রেন ফের বিপদ বাড়িয়েছে। বিশেষত মহারাষ্ট্রের করোনা পরিস্থিতিতে চিন্তা বাড়ছে। নাগপুরে রবিবার থেকেই চালু হয়েছে পূর্ণাঙ্গ লকডাউন, চলবে ২১ তারিখ পর্যন্ত। আরও কয়েকটি রাজ্যের করোনা গ্রাফও ঊর্ধ্বমুখী। কেন্দ্রের মাথাব্যথা মূলত মহারাষ্ট্র, কর্ণাটক-সহ ৮ রাজ্য নিয়ে। কোথাও কোথাও নাইট কারফিউ জারি করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসার চেষ্টা চলছে। কিন্তু বিলিতি স্ট্রেন যে সংক্রমণ ক্ষমতা নিয়ে ফের থাবা বসানো শুরু করেছে, তাতে কি এভাবে আটকানো সম্ভব? প্রশ্ন থাকছেই।
