ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলায় আপত্তি জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। লিটন-মুস্তাফিজুরদের বাদ দিয়ে অন্য কোনও দেশকে সুযোগ দেবে আইসিসি? এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি। এর মধ্যেই আসন্ন টি২০ বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশকে বাদ দেওয়া হোক, এই আর্জি জানিয়ে দিল্লি হাই কোর্টে জনস্বার্থ মামলা করেছেন এক তরুণী। তাঁকে কড়া ভাষায় ভর্ৎসনা করল আদালত। শেষ পর্যন্ত দুই বিচারপতির ধমক খেয়ে মামলা প্রত্যাহার করেন মামলাকারী।
শেখা হাসিনা পরবর্তী সময় ভারতবিদ্বেষ বেড়েছে পদ্মাপাড়ে। পাল্লা দিয়ে বেড়েছে সংখ্যালঘু নির্যাতনও। সেই প্রসঙ্গ টেনে জনস্বার্থ মামলা করেন তরুণী। মামলার আবেদনে তিনি দাবি করেন, যতক্ষণ না বাংলাদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘন বন্ধ হচ্ছে, ততক্ষণ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) সমস্ত আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট থেকে দেশটিকে বাদ দিক। পাশাপাশি দাবি করা হয়, আইসিসিকে একটি তদন্ত কমিশন গঠন করতে হবে। যারা বাংলাদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলি বিশ্লেষণ করে আদালতে একটি রিপোর্ট জমা দেবে।
পাশাপাশি দাবি করা হয়, আইসিসিকে একটি তদন্ত কমিশন গঠন করতে হবে।
দিল্লি হাই কোর্টের বিচারপতি ডি কে উপাধ্যায় এবং বিচারপতি তেজস কারিয়ার বেঞ্চে এই মামলা ওঠে। মামলায় যুক্ত করা হয় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই), শ্রীলঙ্কান ক্রিকেট বোর্ড, বাংলাদেশের ক্রিকেট বোর্ড এবং বাংলাদেশের হাই কমিশনকে। দুই বিচারপতি বেঞ্চ অবশ্য মামলাটিকে ভিত্তিহীন বলেছেন। মামলাকারীর উদ্দেশে বিচারপতির মন্তব্য, ‘‘এটা কী ধরনের মামলা? যা মনে হচ্ছে, তা নিয়েই এমন মামলা করে দেওয়া যায়?’’
আদালত যে দেশের বিদেশ মন্ত্রকের কাজে হস্তক্ষেপ করতে পারে না সেকথা মনে করায় বিচারপতিদের বেঞ্চ। এই ধরনের মামলা করে অযথা আদালতের সময় নষ্ট করা হচ্ছে, মন্তব্য করেন বিচারপতিরা। মামলাকারীকে ‘গঠনমূলক কাজ’, ‘ভালো কাজ’ করার পরামর্শ দেয় আদালত।
