shono
Advertisement
Himanta Biswa Sarma

পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক ভিডিও এবং মিঞা বিতর্ক: অসমের মুখ্যমন্ত্রীকে বার্তা দিয়েও মামলা খারিজ করল সুপ্রিম কোর্ট

মামলা খারিজ করলেও পরোক্ষে অসমের মুখ্যমন্ত্রীকে বার্তা দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি বিপুল পাঞ্চোলির বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, রাজনৈতিক দলগুলির উচিত সাংবিধানিক বৈধতার মধ্যে থেকেই কাজ করা।
Published By: Saurav NandiPosted: 03:09 PM Feb 16, 2026Updated: 03:58 PM Feb 16, 2026

ভোটমুখী অসমে সম্প্রতি একের পর এক বিতর্কে জড়িয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। বিতর্ক হয়েছে কখনও তাঁর পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক ভিডিওকে কেন্দ্র করে। কখনও আবার 'মিঞা মুসলিম' মন্তব্যকে ঘিরে। এই সব ঘটনা নজরে রেখে হিমন্তের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ দায়ের এবং সিটের তদন্তের আর্জি জানিয়ে একটি মামলা হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। সোমবার সেই মামলা খারিজ করে দিল শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের বেঞ্চ মামলাকারীদের গুয়াহাটি হাই কোর্টে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

Advertisement

মামলা খারিজ করলেও পরোক্ষে অসমের মুখ্যমন্ত্রীকে বার্তা দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি বিপুল পাঞ্চোলির বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, রাজনৈতিক দলগুলির উচিত সাংবিধানিক বৈধতার মধ্যে থেকেই কাজ করা। তবে ভোটের মুখে রাজনৈতিক আকচা-আকচি নিয়ে সরাসরি সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার প্রবণতা নিয়েও বার্তা দিয়েছে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। প্রধান বিচারপতি কান্ত বলেন, "আপনারা কেন আগে গুয়াহাটি হাই কোর্টে গেলেন না? হাই কোর্টের বৈধতাকে অস্বীকার করবেন না। আপনারা গুয়াহাটি হাই কোর্টের উপর আস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।"

শীর্ষ আদালতের এই মন্তব্যের জবাবে আইনজীবী অভিষেক মনুসিঙ্ঘভি জানান, অসমের মুখ্যমন্ত্রীই সংবিধানের উপর আস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে লাগাতার আক্রমণ করে চলেছেন। এই মামলা যদি শোনা না হয়, তাহলে সাধারণ নাগরিকের অধিকার খর্ব হবে। সেই সূত্রে সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩২-এর প্রসঙ্গও টানেন সিঙ্ঘভি। তিনি বলেন, "এই মামলায় বিভিন্ন মৌলিক অধিকার সংক্রান্ত বিষয় জড়িত। তাহলে কেন সরাসরি সুপ্রিম কোর্টে আসতে পারব না? অনুচ্ছেদ ৩২ তো সেই কথাই বলে। আমরা সিটের তদন্তও চাইছি। কিন্তু অসমের বসের (হিমন্ত) বিরুদ্ধে কী আর করবে সিট!"

যদিও সুপ্রিম কোর্ট কোর্ট এই যুক্তি মানতে রাজি হয়নি। সিঙ্ঘভি আর্জি ছিল, গুয়াহাটি হাই কোর্টের পরিবর্তে অন্য কোনও হাই কোর্টে মামলা করার অনুমতি দেওয়া হয়। তা-ও মানতে চায়নি শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতি বলেন, "আপনাকে অন্য একটি হাই কোর্টে পাঠানো হলে, তা গুয়াহাটি হাই কোর্টের বিরুদ্ধে একটি গুরুতর অভিযোগেরই ইঙ্গিত দেয়। এই বিষয়টি আমি খারিজ করছি। আমাকে সারা দেশের বিচারব্যবস্থার প্রশাসনিক দায়িত্বের কথাও বিবেচনা করতে হয়।"

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement