shono
Advertisement
Tomahawk Missile

আওতায় চিন-পাকিস্তান, ‘শত্রু’র ঘুম ওড়াতে এবার আসছে ভারতের ‘টমাহক’!

অপারেশন সিঁদুর, রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত এবং ইরান যুদ্ধ দেখিয়ে দিয়েছে বর্তমানে 'স্ট্যান্ড-অফ' অস্ত্রের ভূমিকা কী। সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে এই 'টমাহক' সেনাবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত হলে ভারতের ক্ষমতা অনেকটা বৃদ্ধি পাবে। মনে করা হচ্ছে, নয়া এই ক্ষেপণাস্ত্রটি 'নির্ভয়' ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিরই একটি উন্নত সংস্করণ বা উত্তরসূরি। স্থলভিত্তিক লঞ্চার, যুদ্ধজাহাজ, সাবমেরিন সব কিছু থেকেই এই ক্ষেপণাস্ত্রটি নিক্ষেপ করা যায়।
Published By: Subhodeep MullickPosted: 03:28 PM Jun 16, 2026Updated: 03:28 PM Jun 16, 2026

১৯৮৩ সালে মার্কিন সামরিক বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর থেকেই টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র আমেরিকার অন্যতম প্রধান অস্ত্র হয়ে উঠেছে। ১৯৯১ সালের পর থেকে ওয়াশিংটের প্রতিটি বড় সামরিক অভিযানে এটি ব্যবহৃত হয়েছে। সম্প্রতি ইরান যুদ্ধেও টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে মার্কিন সেনা। কিন্তু এবার ভারতের হাতেও চলে এল টমাহকের সমতুল্য দূরপাল্লার ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। সোমবার ওড়িশা উপকূলে এটির সফল উৎক্ষেপণ করল ‘প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা’ (ডিআরডিও)।

Advertisement

এই ক্ষেপণাস্ত্রটির ব্যাপারে সরকারের তরফে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। তবে মনে করা হচ্ছে, ‘লং রেঞ্জ ল্যান্ড অ্যাটাক ক্রুজ মিসাইল’টির ১০০০ থেকে ১৫০০ কিলোমিটার পাল্লার। এর অর্থ ‘শত্রু’ চিন-পাকিস্তানের একটি বিরাট অংশ এই ক্ষেপণাস্ত্রটির আওতায়। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, পরীক্ষায় সমস্ত পরিচালনগত ও কারিগরি লক্ষ্যমাত্রা অর্জিন করেছে ক্ষেপণাস্ত্রটি। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের সামরিক বাহিনীতে এটির অন্তর্ভুক্তির জন্য আরও দু’বছর সময় লাগবে। কারণ, এখনও কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো বাকি রয়েছে। উল্লেখ্য, এই ক্ষেপণাস্ত্রটি সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি।  

অপারেশন সিঁদুর, রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত এবং ইরান যুদ্ধ দেখিয়ে দিয়েছে বর্তমানে 'স্ট্যান্ড-অফ' অস্ত্রের ভূমিকা কী। সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে এই 'টমাহক' সেনাবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত হলে ভারতের ক্ষমতা অনেকটা বৃদ্ধি পাবে। মনে করা হচ্ছে, নয়া এই ক্ষেপণাস্ত্রটি 'নির্ভয়' ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিরই একটি উন্নত সংস্করণ বা উত্তরসূরি। স্থলভিত্তিক লঞ্চার, যুদ্ধজাহাজ, সাবমেরিন সব কিছু থেকেই এই ক্ষেপণাস্ত্রটি নিক্ষেপ করা যায়।

প্রসঙ্গত, আমেরিকার কাছে যে টমাহক ক্ষেপণাস্ত্রের বিভিন্ন সংস্করণ রয়েছে, যার পাল্লা ১২৫০ থেকে ২৫০০ কিলোমিটারের মধ্যে। এগুলি অত্যন্ত নিচু উচ্চতায় উচ্চ সাবসনিক গতিতে (প্রতি ঘণ্টায় ৮৮০ কিলোমিটার) উড়তে সক্ষম। বিশেষ এই ক্ষেপণাস্ত্রের সর্বশেষ সংস্করণ -'ব্লক ৪ ট্যাকটিক্যাল টমাহক' আকাশে থাকাকালীনই লক্ষ্যবস্তু পরিবর্তন করতে সক্ষম। শুধু তা-ই নয়, এটি দীর্ঘসময় ধরে আকাশে উড়তেও সক্ষম। এই কারণেই গত বছর ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি আমেরিকার কাছ থেকে এটি সংগ্রহ করার জন্য আগ্রহী ছিলেন। কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্মতি দেননি।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement