shono
Advertisement
E20

'ইথানল দুর্নীতি'র বিরুদ্ধে দিল্লিতে শুরু ধরনা! 'মাইলেজ কমছে', মানছে গাড়ি সংস্থাগুলিও

দেশে জ্বালানি সংকট কাটাতে বহুদিন ধরেই ইথানলের জ্বালানিতে জোর দিচ্ছে মোদি সরকার। আগামী দিনে স্রেফ ইথানলের ভরসাতেই গাড়ি চালানোর পরিকল্পনাও রয়েছে কেন্দ্রের।
Published By: Subhajit MandalPosted: 12:41 PM Jul 05, 2026Updated: 12:41 PM Jul 05, 2026

জ্বালানি সংকট মেটাতে চালু E20 পেট্রল নিয়ে আরও অস্বস্তি কেন্দ্রের। এবার দিল্লির যন্তরমন্তরে ওই E20 জ্বালানির বিরুদ্ধে ধরনা শুরু করল নাগরিক সমাজের একাংশ। তাঁদের দাবি, পেট্রলে ইথানল মেশানোর নামে আসলে বড়সড় দুর্নীতি হচ্ছে।

Advertisement

এমনিতেই শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ চেয়ে দিল্লির যন্তরমন্তরে অনশন ও ধরনা কর্মসূচি চালাচ্ছে ককরোচ জনতা পার্টি। সোনম ওয়াংচুকের মতো সমাজসেবী সেখানে অনশনে। যা কেন্দ্রের অস্বস্তি বাড়িয়ে দিয়েছে। সেই যন্তরমন্তরেই এবার ইথানল-মিশ্রিত পেট্রল বন্ধের দাবিতে ধরনা কর্মসূচি নিচ্ছে নাগরিক সমাজের একাংশ। যার মূল আয়োজক কংগ্রেস পন্থী জনা কয়েক রাজনৈতিক বিশ্লেষক। তাঁদের দাবি, আসলে E20 পেট্রলের মাধ্যমে সরকারের শীর্ষ নেতামন্ত্রীরা নিজেদের পকেট ভরছেন।

দেশে জ্বালানি সংকট কাটাতে বহুদিন ধরেই ইথানলের জ্বালানিতে জোর দিচ্ছে মোদি সরকার। আগামী দিনে স্রেফ ইথানলের ভরসাতেই গাড়ি চালানোর পরিকল্পনাও রয়েছে কেন্দ্রের। ইথানল হল আখ, ভুট্টার মতো বিভিন্ন কৃষিজ পণ্য থেকে তৈরি হওয়া এক ধরনের জৈব জ্বালানি। পেট্রলের সঙ্গে মিশিয়ে এটি ব্যবহার করা হয়। কেন্দ্রের দাবি, ভিনদেশ থেকে আমদানি করা তেলের উপর নির্ভরতা কমাতেই ইথানলের জ্বালানি তৈরি করতে মরিয়া সরকার। তাছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আবহে ইথানলের গুরুত্ব আরও বেশি করে অনুধাবন করতে পারছে মোদি সরকার। সমস্যা হল এই ইথানল নিয়ে আবার অভিযোগ অনেক। গ্রাহকদের একাংশের অভিযোগ, ইথানলের অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে গাড়ির ইঞ্জিন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। মাইলেজ কমে যাচ্ছে। এমনকী বহু গাড়িতে এই মিশ্রিত পেট্রল ব্যবহার করা না যাওয়ায়-নতুন গাড়ি কিনতে হচ্ছে।

সরকার বরাবর দাবি করে আসছে, ইথানলে এই ধরনের কোনও সমস্যা হয় না। যদিও গাড়ি তৈরি সংস্থাগুলিও স্বীকার করে নিচ্ছে ইথানলে সামান্য হলেও মাইলেজ কমছে। শনিবার দিল্লিতে সুজুকি, টয়োটা, বাজাজ, টিভিএস, হুন্ডাই এবং হিরো মটো কর্পের শীর্ষ আধিকারিকরা একটি যৌথ সাংবাদিক সম্মেলন করেন। সেখানে তাঁরা দাবি করেন, ইথানলের বেশি ব্যবহারে ইঞ্জিনের ক্ষতির কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ২০২৫-২৬ সালে ওই সংস্থাগুলি প্রায় ২.৮ কোটি গাড়ি সার্ভিসিং করেছে। এর মধ্যে প্রায় দেড় কোটি ৩ বছরের পুরনো, কিন্তু কোনও গাড়ির ইঞ্জিনই ক্ষতির মুখে পড়েনি। তবে সংস্থাগুলি মেনেছে, মাইলেজে সামান্য হেরফের হচ্ছে। মারুতি সুজুকির কর্তা রাহুল ভারতী মেনে নিয়েছেন, সব মিলিয়ে ৩-৩.৫ শতাংশ মাইলেজ কমার প্রমাণ মিলেছে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement