shono
Advertisement
PM Video Row

'জুকারবার্গকে ক্ষমা চাইতে হবে', মোদির ভিডিও-বিতর্কে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি কেন্দ্রের

সোশাল মিডিয়া নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আলোচনার জন্য তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সংসদের স্থায়ী কমিটি সোমবার গুগল, মেটা ও ইউটিউবের মতো প্লাটফর্মগুলির প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করে।
Published By: Kishore GhoshPosted: 08:42 PM Aug 03, 2026Updated: 08:42 PM Aug 03, 2026

জেন-জি পড়ুয়াদের উদ্দেশ্য করে বানানো প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভাইরাল সেলফি ভিডিও হঠাৎ করেই ফেসবুক থেকে গায়েব হয়ে যায়। এই নিয়ে তুমুল বিতর্ক হয়। মোদির ভিডিও সরানোর ঘটনায় ইতিমধ্যে ক্ষমা চেয়েছে মেটা। সোমবার তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সংসদীয় কমিটির বৈঠকের পর কমিটি প্রধান নিশীকান্ত দুবের সাফ কথা, এমন ঘটনায় ‘মেটা’র ক্ষমা প্রার্থনা যথেষ্ট নয়, এই ঘটনার দায় নিতে হবে তাদের। সংস্থার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়াও প্রয়োজন।

Advertisement

সোশাল মিডিয়া নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আলোচনার জন্য তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটি সোমবার গুগল, মেটা ও ইউটিউবের মতো প্লাটফর্মগুলির প্রতিনিধি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ‘মেইটি’ শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে। সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলিতে শিশু যৌন নিপীড়নমূলক বিষয়বস্তু কেন রয়েছে? এই সংক্রান্ত প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় মেটার কর্তাদের। অন্যদিকে নিশিকান্ত দুবে বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভিডিও মুছে ফেলার দায়ে মেটা প্রধান মার্ক জুকারবার্গকে ক্ষমা চাইতে হবে। বৈঠকে বিজেপির এক প্রবীণ সাংসদ মেটার কাছে জানতে চান প্রধানমন্ত্রীর ভিডিওটি সরিয়ে ফেলার দায় কে নেবে!

সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে বিজেপি সাংসদ মেটা কর্তাদের প্রশ্ন করেন, "প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভিডিওটি কেন সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল? এর জন্য কে দায়ী? ফেসবুক যখন অন্য অনেক আপত্তিকর বিষয়বস্তু সরিয়ে নেয়নি, ঠিক সেই সময়ে কারা প্ল্যাটফর্ম থেকে এই ভিডিওটি সরিয়েছিল? এর চূড়ান্ত দায়ভার কার?" মেটার পক্ষ থেকে এই বিষয়ে ক্ষমা চাওয়া হলে শাসক দলের সাংসদ উল্লেখ করেন, বিষয়টি কেবল ক্ষমা চাওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং জবাবদিহি করতে হবে। আইনি পদক্ষেপ নেওয়াও প্রয়োজন।

প্রসঙ্গত, নিট প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে এবং তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ, পরীক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতার দাবিতে গত একমাস ধরে যন্তর মন্তরে আন্দোলন করেছে সিজেপি। এর আঁচ ছড়িয়ে পড়ে গোটা দেশে। এরমধ্যেই গত ২৩ জুলাই, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে একটি ৩ মিনিটের একটি ভিডিও বার্তা পোস্ট করেন প্রধানমন্ত্রী।

ভিডিওতে প্রধানমন্ত্রী আশ্বাস দিয়ে বলেন, "প্রশ্নপত্র ফাঁস কোনও সাধারণ ঘটনা নয়। এটা লাখ লাখ ছাত্রছাত্রী ও তাঁদের পরিবারের জন্য অত্যন্ত কষ্টকর।" তিনি জানান, দোষীদের ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং সাড়ে ২২ লাখ পরীক্ষার্থীর এক বছর যাতে নষ্ট না হয়, তার জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তরুণ প্রজন্মের সঙ্গে ডিজিটাল মাধ্যমে যুক্ত হওয়ার প্রধানমন্ত্রীর এই প্রয়াস নিমেষেই রেকর্ড গড়ে ফেলে। ইনস্টাগ্রামে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ভিডিওটির ভিউ সংখ্যা ৩০৩ মিলিয়ন ছাড়িয়ে যায়, যা এক নতুন বিশ্বরেকর্ড!

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement