রাজ্যসভার ৩৭ আসনে নির্বাচনের দিনক্ষণ প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন। প্রত্যাশামতোই আগামী মার্চ মাসে হতে চলেছে এই ভোট। কমিশনের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বাংলার ৫ আসন-সহ মোট ১০ রাজ্যের ৩৭টি আসনে আগামী ১৬ মার্চ হবে রাজ্যসভা নির্বাচন।
বুধবার সকালে নির্বাচন কমিশনের জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ সময় ৫ মার্চ, প্রত্যাহারের সময়সীমা ৯ মার্চ, এরপর ১৬ মার্চ হবে ভোটগ্রহণ এবং ওইদিনই বিকেল ৫টায় হবে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা। যে ১০ রাজ্যের ৩৭ আসনে নির্বাচন হচ্ছে সেগুলি হল মহারাষ্ট্র (৭), ওড়িশা (৪), তামিলনাড়ু (৬), পশ্চিমবঙ্গ (৫), অসম (৩), বিহার (৫), ছত্তিশগড় (২), হিমাচল(১), তেলেঙ্গানা (২) ও হরিয়ানা (২)।
এই ৩৭ রাজ্যসভা আসনের মধ্যে বাংলার যে ৫ সাংসদের মেয়াদ শেষ হচ্ছে তাঁরা হলেন, সাকেত গোখেল (তৃণমূল), ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় (তৃণমূল), বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য (সিপিএম), মৌসম বেনজির নূর (তৃণমূল) ও সুব্রত বক্সি (তৃণমূল)। ইতিমধ্যেই রাজ্যসভা থেকে ইস্তফা দিয়ে তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসের যোগ দিয়েছেন মৌসম। বাকি সাংসদদের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ২ এপ্রিল। তার আগেই নির্বাচন শেষ করে শূন্যস্থানে সাংসদদের বেছে নেওয়া হবে। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, বিধানসভা, লোকসভার পর এবার রাজ্যসভাতেও শূন্য হতে চলেছে বাংলার বামেরা। রাজ্যসভায় বাংলা থেকে সিপিএমের শেষ সাংসদ বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য তাঁর ৬ বছরের মেয়াদ শেষ করছেন।
বিধানসভায় বিধায়কের সংখ্যার নিরিখে রাজ্যসভায় সাংসদ পাঠায় রাজনৈতিক দল। সেই হিসেবে এই নির্বাচনে ৫ আসনের মধ্যে চারটি আসনে জয়ী হওয়ার কথা তৃণমূলের। একটি আসনে জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা বিজেপির। ফলে হিসেবের অঙ্কে সিপিএমের রাজ্যসভার চৌকাঠ পার হওয়ার অবস্থা নেই বামেদের। নিয়ম অনুযায়ী, একটি আসনের জন্য এক জনই মনোনয়ন জমা দিলে নির্বাচনের প্রয়োজন পড়বে না। একের অধিক প্রার্থী মনোনয়ন জমা সেক্ষেত্রেই হবে নির্বাচন।
