উদ্বোধন হয়েছে কুড়ি দিন আগে। তার মধ্যেই বেহাল অবস্থায় লখনউ-কানপুর এক্সপ্রেসওয়ে। এই নিয়ে পঞ্চমবার সেই পথে ধস নামার কথা জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি এমনই, রাস্তা শুকোতে হল স্ট্যান্ড ফ্যান দিয়ে। রাস্তার অধিকাংশ অংশ এই মুহূর্তে ব্যবহারের যোগ্য নেই। একটা সংকীর্ণ অংশ দিয়ে যান চলাচল করছে। এদিকে পুনর্নির্মাণের কাজ শুরুর আগে ক্ষতিগ্রস্ত অংশের নিচের মাটি থেকে আর্দ্রতা দূর করার জন্যই শক্তিশালী স্ট্যান্ড ফ্যান বসানো হয়েছে। যোগী সরকারকে এই ঘটনায় কাঠগড়ায় তুলে তোপ দেগেছেন অখিলেশ যাদব।
ন্যাশনাল হাইওয়ে অথরিটি অফ ইন্ডিয়া বা NHAI-এর কর্মকর্তাদের মতে, একটানা বৃষ্টিপাতের ফলে রাস্তার উপরিভাগের নিচের স্তরে জল চুঁইয়ে প্রবেশ করে। এতেই মাটি দুর্বল হয়ে পড়ে। ফলে রাস্তাটি ধসে যায়। স্বাভাবিক ভাবেই নির্মাণকাজের গুণমান নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠছে। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করেছে প্রশাসন।
সমাজবাদী পার্টির সুপ্রিমো সোশাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন। সেখানে পাখার হাওয়ায় রাস্তা শুকোনোর দৃশ্য দেখা যাচ্ছে। অখিলেশ লিখেছেন, 'এটাই বিজেপির উন্নয়নের নতুন হাওয়া... মাত্র কয়েক দিন আগে উদ্বোধন করা একটি রাস্তা এখনই মেরামতের প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। আর সেই মেরামত করা অংশ দ্রুত শুকোনোর জন্য সর্বোচ্চ গতিতে ফ্যান চালানো হচ্ছে— বিষয়টি সত্যিই হাস্যকর। মাত্র ২-৩ সপ্তাহের মধ্যেই যে এক্সপ্রেসওয়ে ভেঙে পড়তে শুরু করেছে, সেখানে গাড়ি চালানোর ঝুঁকি কে নেবে? প্রশ্ন এটাও জাগে যে, 'অটল প্রোগ্রেসওয়ে' প্রকল্পটি কি কেবল কাগজ-কলমেই সীমাবদ্ধ থাকবে নাকি বাস্তবেও কখনও নির্মিত হবে? নাকি কাগজে-কলমে এর নির্মাণকাজ ও 'অংশীদারিত্বের ভাগ-বাঁটোয়ারা' ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়ে গেছে? বিজেপি আমলে হওয়া যেকোনও নির্মাণকাজই বেশিদিন টেকে না। বরং সেগুলো ভেঙে পড়ে বা ধসে যায়।' এখন দেখার, এই খোঁচার জবাবে উত্তরপ্রদেশ সরকার পালটা 'জবাব' কী দেয়!
