নগদ লেনদেনের সময় পাঁচশো টাকার নোটের ক্ষেত্রে সকলেই একটু বাড়তি সতর্ক থাকেন। কারণ একটাই, যদি ভুল করে পকেটে চলে আসে নকল নোট! কিন্তু ৫০, ১০০-টাকার ক্ষেত্রে কোনও চিন্তাই করেন না কেউ। একেবারে ছেঁড়া-ফাটা না হলেই সহজেই ছোট নিয়ে নেন সকলে। জানেন কি এখানেই সব থেকে বড় ভুলটা করেন? কারণ, শুধু পাঁচশো নয়, বাজারে ছড়িয়ে রয়েছে ৫০ টাকার নকল নোটও! প্রশাসনের কড়া নজরদারি সত্ত্বেও একদল বাজারে ছড়িয়ে দিচ্ছে এই নোট, না বুঝেই তা পকেটে ভরে নিচ্ছে আমজনতা। তাই এবার পঞ্চাশ টাকা লেনদেনের ক্ষেত্রেও সতর্কতা প্রয়োজন। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া সম্প্রতি জানিয়েছে নকল নোট চিনে নেওয়ার পদ্ধতি। চলুন আজ জেনে নেওয়া যাক সেটাই।
১. মনে রাখবেন প্রতিটি নোটের নিচে বামদিকে টাকার অঙ্ক সংখ্যায় লেখা থাকে। অর্থাৎ পঞ্চাশের নোটে থাকে '৫০'। আলোর নিচে টাকা ধরলেই এটি দেখা যায়।
২. নোটের একদম মাঝ বরাবর থাকে মহাত্মা গান্ধীর ছবি।
৩. পঞ্চাশ টাকার নোটের পিছনের অংশে হাম্পির স্থাপত্যের ছবি থাকে।
৪. গর্ভনরের স্বাক্ষর ও লোগো থাকে ডান দিকে।
৫. নোটের উপরে বামদিকে সিরিয়াল নম্বর থাকে। নিচেও থাকে সিরিয়াল নম্বর।
৬. নোটে অশোক চক্র থাকে।
৭. আসল নোটে দেবনগরী ভাষায় টাকার মান লেখা থাকে।
নিশ্চয়ই ভাবছেন, মাত্র ৫০ টাকাও জাল? কিন্তু কেন? হিসেব খুব সহজ। পাঁচশো টাকা লেনদেনের ক্ষেত্রে সকলেই সতর্ক থাকেন। কিন্তু পঞ্চাশ টাকাও যে নকল হতে পারে, তা ভাবেন না কেউ। ফলে এটা বাজারে ছড়িয়ে দেওয়া খুব সহজ। এই সুযোগকেই কাজে লাগান অসাধুরা।
