ইরানে যৌথভাবে হামলা চালিয়েছে আমেরিকা ও ইজরায়েল। মৃত্যু হয়েছে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের ডঙ্কা বাজতেই অস্থির হয়ে উঠল বিশ্ব বাজার। অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধির জেরে সোনা-রুপোর দাম দুর্মূল্য হতে চলেছে। পাশাপাশি শেয়ারবাজারেও এর বিরাট পতনের আশঙ্কা করা হচ্ছে।
রিপোর্ট বলছে, মধ্যপ্রাচ্যে ভয়ংকর যুদ্ধের জেরে বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এর ফলে সোনা-রুপোয় বিনিয়োগের পরিমাণ ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে। গত একসপ্তাহে ২৪ ক্যারেট সোনার দাম ৯৪৩০ টাকা বেড়েছে। ২২ ক্যারেট সোনার দাম বেড়েছে ৮৫৫০ টাকা। ১ মার্চ দিল্লিতে ২৪ ক্যারেট সোনার দাম ছিল প্রতি ১০ গ্রাম ১৬৮৮৬০ টাকা। কলকাতায়, ১৬৮৭১০ টাকা। কলকাতায় ২২ ক্যারেট সোনার দাম ছিল প্রতি ১০ গ্রাম ১,৫৪,৬৩০ টাকা। সোনার পাশাপাশি রুপোর দামেও ব্যাপক বৃদ্ধি নজরে এসেছে। চলতি সপ্তাহে রুপোর দাম প্রায় ২০ হাজার টাকা বেড়েছে। রিপোর্ট বলছে, ১ মার্চ সকালে প্রতি কেজি রুপোর দাম ছিল ২,৯৫০০০ টাকা।
বিশেষজ্ঞদের দাবি অনুযায়ী, এই পরিস্থিতিতে এখনই বিশেষ বদল হবে না। এমনিতেই গত সপ্তাহে সোনা-রুপোর দাম ঊর্ধ্বমুখী ছিল। তার উপর ইরান যুদ্ধ বাজারে ভয়ের পরিস্থিতি তৈরি করেছে। গুরুতর এই অবস্থায় নিরাপদ বিনিয়োগের জন্য সোনা-রুপোকেই প্রাধান্য দেবেন বিনিয়োগকারীরা। যার ফল আরও ঊর্ধ্বমুখী হবে বাজার। বিশেষজ্ঞদের দাবি, পরিস্থিতি বর্তমানে যে জায়গায় দাঁড়িয়ে তাতে ভারতে সোনার দাম ১,৭০,০০০ পার করে ফেললেও আশ্চর্যের কিছু নেই। যুদ্ধ যদি আরও ভয়াবহ আকার নেয় সেক্ষেত্রে ১০ গ্রাম সোনার দাম ২ লক্ষ টাকা ও রুপোর দাম কেজি প্রতি ৪ লক্ষ টাকাও ছাড়িয়ে যেতে পারে।
শুধু সোনা-রুপোর দাম নয়, এই যুদ্ধের বড় প্রভাব দেখা যেতে পারে দেশের শেয়ার বাজারে। তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় শেয়ার বাজারে বিপুল রক্তক্ষরণের সম্ভাবনা রয়েছে। ক্রিপ্টোকারেন্সিতেও দেখা গিয়েছে যুদ্ধের প্রভাব। বিটকয়েনের দাম ৫ শতাংশ নেমে হয়েছে ৬৪ হাজার ডলার।
