বিয়ে বাড়িতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার ১৩ বছরের এক নাবালিকা। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) লাতেহার জেলার মহুয়াবন্দ থানা এলাকায়। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আটক করা হয়েছে আরও তিনজনকে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে তিনজনই নাবালক বলে জানা যাচ্ছে। দফায় দফায় পাঁচজনকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। ঘটনার সঙ্গে আরও কারা কারা যুক্ত সেই খোঁজ চালানো হচ্ছে বলেও জানা গিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, জেরায় ধৃতরা অপরাধের কথা স্বীকার করে নিয়েছেন। শুধু তাই নয়, নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।
জানা যাচ্ছে, মহুয়াবন্দের গ্রামে মা-বাবার সঙ্গে এক আত্মীয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন ওই নির্যাতিতা। অভিযোগ, ভিড়ের নজর এড়িয়ে আমন্ত্রিতদের মধ্যে কয়েকজন ওই নাবালিকাকে জোর করে নির্জন একটি জায়গায় নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় ওই নির্যাতিতাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। জানা গিয়েছে, আপাতত গুরুতর অবস্থায় স্থানীয় একটি হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন রয়েছে ওই নাবালিকা। ঘটনার পরেই মহুয়াবন্দ পুলিশ স্টেশনে লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্তে নেমে দুজনকে গ্রেপ্তার এবং সন্দেহভাজন আরও তিনজনকে আটক করে পুলিশ।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়। ঝাড়খণ্ড পুলিশের শীর্ষ এক আধিকারিক জানিয়েছেন, কয়েকজন যুবক নির্যাতিতাকে বিয়েবাড়ি থেকে খানিকটা দূরে নিয়ে যায়। চলে অকথ্য অত্যাচার। শুধু তাই নয়, ওই স্থানেই নাবালিকাকে ফেলে রেখে চম্পট দেয় অভিযুক্তরা। ওই আধিকারিকের কথায়, ঘটনার তদন্তে নেমে এখনও পর্যন্ত দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে জিজ্ঞাসাবাদে অপরাধের কথা স্বীকারও করে নিয়েছেন। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে বাকি অভিযুক্তদের খোঁজ চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শীর্ষ ওই পুলিশ আধিকারিক।
