Advertisement

পাঁচ রাজ্যে কোটি কোটি টাকার শষ্যহানী, পঙ্গপাল রুখতে একাধিক পদক্ষেপ কেন্দ্রের

11:37 AM May 28, 2020 |

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পঙ্গপালের হানায় কাঁপছে রাজস্থান, পাঞ্জাব, হরিয়ানা, মধ্যপ্রদেশ। একে দেশজুড়ে নিত্যদিন বাড়ছে করোনার কামড়, তার উপর পশ্চিম ও মধ্য ভারতের বিস্তীর্ণ অঞ্চলজুড়ে পঙ্গপালের হানা চাষিদের অথৈ জলে ফেলেছে। আগে থেকে এই পঙ্গপাল হানার সতর্কতা থাকলেও সেভাবে কোনও পদক্ষেপই করেনি কেন্দ্র। কোটি কোটি টাকার ফসলের ক্ষতির পর অবশেষে ঘুম ভেঙেছে কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রকের। বুধবার কেন্দ্র পঙ্গপাল হানা রুখতে কয়েকটি পদক্ষেপ ঘোষণা করেছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: মর্মান্তিক দৃশ্য বিহারে! ফাঁকা স্টেশনে মৃত মাকে জাগানোর আপ্রাণ চেষ্টা শিশুর]

কৃষিমন্ত্রক (Ministry of Agriculture and Farmers Welfare) সূত্রের খবর, পাঁচ রাজ্যে মোট ২০০টি অস্থায়ী পঙ্গপাল নিয়ন্ত্রক দপ্তর তৈরি করা হয়েছে। জেলা প্রশাসন এবং রাজ্য সরকারের সঙ্গে সমন্বয় সাধন করে পঙ্গপাল নিয়ন্ত্রণের কাজ করে চলেছে এই দপ্তরগুলি। এখনও পর্যন্ত রাজস্তানের ২১টি, মধ্যপ্রদেশের ১৮টি, পাঞ্জাবের একটি এবং গুজরাটের ২টি জেলায় পঙ্গপালের হানা নিয়ন্ত্রণে আনা গিয়েছে। কীটনাশক ছড়ানোর জন্য দমকলের ৮৯টি ইঞ্জিন, ১২০টি পর্যবেক্ষক যান, ৪৭টি পঙ্গপাল নিয়ন্ত্রক যান, এবং ৮১০টি ট্রাক্টর নামানো হয়েছে। ব্রিটেন থেকে আরও ৬০টি অত্যাধুনিক স্প্রে করার যন্ত্র আমদানি করা হচ্ছে। অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকও কৃষি  মন্ত্রককে তাঁদের নিজেদের পরিকাঠামো ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে।

[আরও পড়ুন: তীব্র দাবদাহ উত্তর ভারতে, ৫০ ডিগ্রিতে জ্বলছে রাজস্থান]

কৃষি মন্ত্রক জানিয়েছেন, পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে। ড্রোনের মাধ্যমে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত মোট পাঁচটি রাজ্য পঙ্গপালদের কবলে পড়েছে। সেগুলি হল, রাজস্থান, পাঞ্জাব, গুজরাট, মধ্যপ্রদেশ ও মহারাষ্ট্র। এরপর উত্তরপ্রদেশেও এর হানার আশঙ্কা করা হচ্ছে। সতর্ক ওড়িশা, বিহারও। উত্তরপ্রদেশের ১৭টি জেলায় ইতিমধ্যেই সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কৃষিমন্ত্রকের আশঙ্কা, এই পঙ্গপালগুলি আগামী দিনে আরও সংখ্যায় বাড়বে। ছোট ছোট দলে দেশের অন্য রাজ্যে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকছে। আগামী দিনে বাংলাতেও এই পতঙ্গ হানা দেওয়ার সম্ভাবনা থাকছে। 

The post পাঁচ রাজ্যে কোটি কোটি টাকার শষ্যহানী, পঙ্গপাল রুখতে একাধিক পদক্ষেপ কেন্দ্রের appeared first on Sangbad Pratidin.

Advertisement
Next