shono
Advertisement
Delimitation Bill

লক্ষ্য আসন পুনর্বিন্যাস, ১৬ আগস্ট থেকে সংসদে ৩ দিনের বিশেষ অধিবেশনের ডাক কেন্দ্রের!

সূত্রের খবর, আগামী ১৬ আগস্ট থেকে শুরু হতে চলেছে এই বিশেষ অধিবেশন। চলবে ১৮ আগস্ট পর্যন্ত। সরকারি সূত্রে আরও জানা যাচ্ছে, এই অধিবেশনে মহিলা সংরক্ষণ বিলটিও পেশ করবে মোদি সরকার।
Published By: Amit Kumar DasPosted: 02:35 PM Aug 05, 2026Updated: 02:49 PM Aug 05, 2026

বাদল অধিবেশনে আসন পুনর্বিন্যাস বিল (Delimitation Bill 2026) পাশ করাতে মরিয়ে মোদি সরকার। সেই লক্ষ্যে লোকসভায় ৩ দিনের বিশেষ অধিবেশন ডাকতে চলেছে কেন্দ্র। সূত্রের খবর, আগামী ১৬ আগস্ট থেকে শুরু হতে চলেছে এই বিশেষ অধিবেশন। চলবে ১৮ আগস্ট পর্যন্ত। সরকারি সূত্রে আরও জানা যাচ্ছে, এই অধিবেশনে মহিলা সংরক্ষণ বিলটিও পেশ করবে মোদি সরকার।

Advertisement

সাংবিধানিক সংশোধনী হিসেবে আসন পুনর্বিন্যাস বিলটি পাস করাতে লোকসভায় দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন জরুরি। তবে শুরু থেকেই সরকারের এই পরিকল্পনার তীব্র বিরোধিতা করেছে বিরোধী শিবির। ব্যাপক বাধার মুখে পড়ে সেই কঠিন অঙ্ক মেলাতেই বিরোধী দলগুলির সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়েছে বিজেপি। এদিকে সংসদে অচলবস্থার মাঝেই কেন্দ্রীয় সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু বুধবার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর সঙ্গে দেখা করেন। কংগ্রেস সূত্রের খবর, এই সাক্ষাতে বিলটি নিয়ে বিরোধী দলের জানতে চাওয়া হয়। ৫০ মিনিটের এই বৈঠকে রাহুল গান্ধীর পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরাও। তবে জানা যাচ্ছে, বিতর্কিত এই বিলটি সমর্থনে নারাজ কংগ্রেস।

আগামী ১৬ আগস্ট থেকে শুরু হতে চলেছে এই বিশেষ অধিবেশন। চলবে ১৮ আগস্ট পর্যন্ত।

জানা যাচ্ছে, কংগ্রেস সমর্থন না দিলেও বিল পাশ করাতে ডিএমকে-র সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়েছে বিজেপি, তেমনই বিরোধী শিবিরে ভাঙন ধরানোর সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে সরকারি শিবিরের একাধিক সূত্রের দাবি, ডিএমকে শেষ পর্যন্ত বিলটির বিরোধিতা না করলে সরকারের পক্ষে প্রয়োজনীয় সংখ্যার অনেকটাই জোগাড় হয়ে যাবে। তবে তাতেও পুরো অঙ্ক মিলবে না। তাই কয়েকজন বিরোধী সাংসদের ক্রস ভোটিং অথবা ভোটদানে বিরত থাকার সম্ভাবনাকেও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। সংসদে বিল ওঠার আগে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত এই সংখ্যার লড়াই চলবে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।

উল্লেখ্য, ডিলিমিটেশন প্রশ্নে দক্ষিণের রাজ্যগুলির আপত্তি নতুন নয়। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে সফল রাজ্যগুলির লোকসভায় প্রতিনিধিত্ব কমে যাওয়ার আশঙ্কা বারবার তুলে ধরেছে তামিলনাড়ু-সহ একাধিক রাজ্য। সেই কারণেই ডিএমকে-র অবস্থানকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি, বিজেপি নজর দিয়েছে অন্য বিরোধী দলগুলির দিকেও। সরকারি সূত্রের খবর, এবার যে বিলটি আনা হবে তাতে বিরোধীদের মূল আপত্তির যে জায়গা, সেই আসনসংখ্যার বৃদ্ধির হার, সেটা খসড়ায় উল্লেখ করা হতে পারে। অর্থাৎ জনসংখ্যা যা-ই হোক, সব রাজ্যে যে ৫০ শতাংশ হারেই আসন বাড়ানো হবে, সেটা লিখিত আকারে দিতেও প্রস্তুত সরকার।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement