ভোটের (West Bengal Assembly Election) মুখে মদে 'রাশ' নির্বাচন কমিশনের। ভোটগ্রহণের ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে বন্ধ থাকবে মদের দোকান (Liquor Shop Close)। ভোটের ফলপ্রকাশের দিনেও মদ বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। সোমবার কমিশনের তরফে এই প্রসঙ্গে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।
এবার বাংলায় দু'দফায় ভোটাভুটি। আগামী ২৩ এপ্রিল বাংলায় প্রথম দফার নির্বাচন। ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় ভোটাভুটি। আগামী ৪ মে, ভোটগণনা। ১৩৫ (সি) ধারা অনুযায়ী
ভোটের সময় ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে ভোটগ্রহণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও হোটেল, রেস্তরাঁ, দোকানে মদ বিক্রি করা উচিত নয়। সেকথা মাথায় রেখে ভোটগ্রহণ এবং ভোটগণনার সময় ৪৮ ঘণ্টা সমস্ত লাইসেন্সপ্রাপ্ত মদের দোকান বন্ধ রাখা হবে। এই সময় কেউ নিয়ম ভাঙলে তার বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সুতরাং প্রথম দফায় উত্তরবঙ্গ, জঙ্গলমহলের এবং দক্ষিণবঙ্গের ১৫২টি বিধানসভা এলাকায় বন্ধ থাকবে মদের দোকান। দ্বিতীয় দফায় কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বাকি কেন্দ্রগুলিতে ভোট। তাই সেই সংলগ্ন এলাকায় বন্ধ থাকবে মদ বিক্রি। ৪ মে গোটা রাজ্যে বন্ধ থাকবে মদ বিক্রি।
বলে রাখা ভালো, বাংলার ভোটে অশান্তি ঘটে না তা একেবারে বলা যাবে না। বোমাবাজি থেকে খুন – এমন নানা বড় ঘটনার সাক্ষী থাকে বহু জায়গা। একুশের নির্বাচনের পর ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগে রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল পড়ে যায়। বিশেষত, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, মুর্শিদাবাদ, মালদহে একাধিক অশান্তির ঘটনা ঘটে। যদিও চব্বিশের লোকসভা নির্বাচন মোটের উপর শান্তিপূর্ণ ছিল। ভোট কিংবা ভোট পরবর্তী হিংসায় একজনেরও প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। ছাব্বিশের নির্বাচনে চব্বিশের সেই ধারা বজায় রাখতে তৎপর নির্বাচন কমিশন।
সে কারণেই ভোটের (West Bengal Assembly Election) কাজে যুক্ত প্রত্যেক আধিকারিকদের একমাত্র কমিশনের নির্দেশমতো কাজ করার কথা বারবার মনে করিয়ে দিয়েছেন জ্ঞানেশ কুমার। কোনও রাজনৈতিক দল কিংবা নেতার নির্দেশে কাজ করলে ওই আধিকারিকদের বিরুদ্ধে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। এছাড়া প্রত্যেক পুলিশ সুপারদের কোনও হিংসা দেখলেই কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নিয়ম মেনে এবার 'রাশ' টানা হল মদ বিক্রিতেও।
