অবতরণের সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে বায়ুসেনার তেজস যুদ্ধবিমান। রানওয়ে থেকে ছিটকে কার্যত দুমড়ে মুচড়ে গিয়েছে সেটি। সোমবার সকালে সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের একাধিক রিপোর্টে এমনটাই দাবি করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলল তেজসের প্রস্তুতকারক সংস্থা হিন্দুস্তান এরোনটিক্সে লিমিটেড (হ্যাল)। তারা জানিয়েছে, কোনও তেজস যুদ্ধবিমান দুর্ঘটনার কবলে পড়েনি।
বায়ুসেনার অত্যন্ত ভরসার যুদ্ধবিমান তেজস। আকাশে শত্রুপক্ষকে কাবু করতে এই জুড়ি নেই। অতীতে বারবার সে কথা প্রমাণ করেছে সম্পূর্ণ দেশিয় প্রযুক্তিতে তৈরি তেজস।
সোমবার একাধিক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টে দাবি করা হয়, গত ৭ ফেব্রুয়ারি সাধারণ প্রশিক্ষণ সেরে সেনাঘাঁটিতে ফিরছিল যুদ্ধবিমানটি। রানওয়েতে অবতরণের সময় সেটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। কার্যত দুমড়ে মুচড়ে যায় তেজসের কাঠামো। দুর্ঘটনার মুহূর্তে বিমান থেকে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছেন পাইলট। তবে এই দুর্ঘটনা নিয়ে সরকারের তরফ থেকে কোনও বিবৃতি না মিললেও বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছে তেজসের প্রস্তুতকারক সংস্থা হ্যাল।
নিজেদের এক্স হ্যান্ডলে সংস্থাটি লিখেছে, 'তেজস দুর্ঘটনা নিয়ে একাধিক সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টে যে দাবি করা হচ্ছে তা সঠিক নয়। কোনও যুদ্ধবিমানই দুর্ঘটনার কবলে পড়েনি। তবে সম্প্রতি একটি বিমানের কিছু যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা গিয়েছে। কিন্তু সেই সময় বিমানটি মাটিতেই ছিল।' সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, সমসাময়িক যুদ্ধবিমানগুলির মধ্যে তেজসের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বিশ্বের মধ্যে সেরা। তবে এসওপি অনুযায়ী, গোটা পরিস্থিতি নিয়ে আমরা বায়ুসেনার সঙ্গে যোগযোগে রয়েছি এবং সমস্ত বিষয়টি পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, বায়ুসেনার অত্যন্ত ভরসার যুদ্ধবিমান তেজস। আকাশে শত্রুপক্ষকে কাবু করতে এই জুড়ি নেই। অতীতে বারবার সে কথা প্রমাণ করেছে সম্পূর্ণ দেশিয় প্রযুক্তিতে তৈরি তেজস। ঘাটতি মেটাতে ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে হিন্দুস্তান এরোনটিক্স লিমিটেড (হ্যাল)-কে ৮৩টি তেজস যুদ্ধবিমান তৈরির বরাত দিয়েছিল প্রতিরক্ষামন্ত্রক। পরে আরও ৯৭টি তেজস তৈরির বরাত দেওয়া হয়।
