shono
Advertisement
Swatantra Bhardwaj

'মাথা গুঁড়িয়ে দিয়েছি, বিজেপির আশীর্বাদে জেলে থাকতে হয়নি', স্বীকারোক্তি যুবকের, পথে নামল CJP

ককরোচদের বিক্ষোভে এক ব্যক্তির মাথা ফাটানোর পরও 'হনুমানজি আর বিজেপি বিধায়কের 'আশীর্বাদে' মুক্ত যুবক। ভাইরাল তাঁর সাক্ষাৎকারের ভিডিও।
Published By: Subhajit MandalPosted: 01:00 PM Sep 04, 2026Updated: 01:08 PM Sep 04, 2026

"একটা লোককে মেরে মাথা গুঁড়িয়ে দিয়েছিলাম। তারপরও হিন্দুত্বের জোরে আমাকে একটা রাতও জেলে থাকতে হয়নি। বজরংবলি আর বিজেপি নেতাদের আশীর্বাদে রাতেই পুলিশ ছেড়ে দিয়েছিল আমাকে।" প্রকাশ্যে সাক্ষাৎকারে রীতিমতো গর্বের সঙ্গে নিজের 'বীরত্বে'র কাহিনী শোনালেন হিন্দুত্ববাদী যুবক! সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল নয়া ভিডিও-তে তোলপাড় জাতীয় রাজনীতি। ওই যুবকের গ্রেপ্তারির দাবিতে শুক্রবার ফের পথে নেমেছে ককরোচ জনতা পার্টি। কংগ্রেসও স্বতন্ত্রের শাস্তির দাবিতে সরব।

Advertisement

গত ২০ জুলাই দিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভের আড়ালে হিংসা-অরাজকতা চলেছে, এমনটাই দাবি করেছিল দিল্লি পুলিশ। কিন্তু স্বতন্ত্র ভারদ্বাজ নামের ওই হিন্দুত্ববাদী যুবকের দাবিতে সম্পূর্ণ উলটো ছবি প্রকাশ্যে এল। ওই যুবকের দাবি, দিল্লি পুলিশের মদতে, পুলিশের থেকে লাঠি নিয়েই এক বিক্ষোভকারীর মাথা গুঁড়িয়ে দিয়েছিলেন তিনি। মাথার হাড় কার্যত চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে গিয়েছিল। ৬০টা সেলাই পড়েছে। অ্যাম্বুল্যান্সেই কার্যত মৃতপ্রায় অবস্থা হয়েছিল ওই বিক্ষোভকারীর, কিন্তু এত নৃশংসতার পরও তাঁকে জেলে থাকতে হয়নি বিজেপি নেতাদের আশীর্বাদে।

স্বতন্ত্র ওই সাক্ষাৎকারে বলেন, "আমি লোকটার মাথা ফাটিয়ে দিয়েছিলাম। ৬০টা সেলাই পরেছে। জানেন কোন ধারায় মামলা হওয়ার কথা, ৩০৭ অর্থাৎ খুনের চেষ্টা। লোকটার মেয়ে থানার সামনে ধরনা দিয়েছিল। বলেছিল আমার বাবা সুবিচার না পেলে বিষ খেয়ে মরব। কিন্তু তারপরও আমার কিচ্ছু হয়নি। পরদিন সকালেই এই স্বতন্ত্র হাজত থেকে বেরিয়ে পড়ল। আমাকে জেলে যেতেও হয়নি। আমি রাতেই ঘুরে বেড়িয়েছি। আসলে কপিল মিশ্র (বিজেপি বিধায়ক) একটা ফোন করেছিল, তাতেই আমাকে ছেড়ে দিয়েছে। কপিল মিশ্র আমার বড় ভাই, চিরাগ পাসওয়ান আমার বড় ভাইয়ের মতো, নরেন্দ্র মোদির কথা বলছেন, সেও আমার বড় ভাই।"

ওই ভিডিও সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই আসরে নামে ককরোচ জনতা পার্টি। স্বতন্ত্র ভারদ্বাজের ওই বক্তব্য শেয়ার করে সৌরভ দাস জানান, "এই স্বতন্ত্র আমাদের বিক্ষোভে সঞ্জয় নামের এক দলিত যুবককে মারধর করেছিল। সঞ্জয়ের খুলি ফেটে আলগা হয়ে যায়। ওই ঘটনায় অবশ্যই খুনের চেষ্টার ধারা দেওয়া উচিত। কিন্তু পুলিশ মামলা দায়ের করেনি। আমাদের মুখের উপর বলে দেওয়া হয়, যাও আদালতে গিয়ে আদালতের নির্দেশ নিয়ে এসো।" সৌরভের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর তাঁর গ্রেপ্তারির দাবিতে ফের পথে নেমেছে সিজেপি। শুক্রবার দিল্লিতে জমায়েত শুরু করেছেন ককরোচ নেতারা। যোগ দিয়েছেন আজাদ সমাজ  পার্টির প্রধান চন্দ্রশেখর আজাদও।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement