আইপ্যাক মামলায় চলছে সুপ্রিম শুনানি। বিচারপতি মনোজ মিশ্র এবং বিচারপতি বিপুল পাঞ্চোলির ডিভিশন বেঞ্চে চলছে শুনানি। তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগে সিবিআই তদন্তের আবেদনে সায় দেবে সর্বোচ্চ আদালত? সুপ্রিম কোর্টে আইপ্যাক মামলার শুনানি সংক্রান্ত যাবতীয় খুঁটিনাটি তথ্যের জন্য নজর রাখুন লাইভ আপডেটে।
দুপুর ২.২৭: কলকাতা হাই কোর্টে মামলার শুনানিতে কিসের আপত্তি, বিচারপতির প্রশ্নের জবাব দিল ইডি। আইনজীবীর দাবি, মামলা চলাকালীন হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ করে এজলাসে লোক জড়ো করা হয়েছিল। বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়। তাই হাই কোর্টের পরিবর্তে সুপ্রিম কোর্টে মামলার শুনানি চায় ইডি।
দুপুর ২.২২: ইডির বিস্ফোরক অভিযোগ, ২০২০ সালের কয়লা পাচার মামলায় ২০৪৭ কোটি টাকার তদন্ত করছে ইডি। তার মাঝে একটি সংস্থার কোটি কোটি টাকা ঢুকেছে আইপ্যাকের অ্যাকাউন্টে।
দুপুর ২.১৮: আইপ্যাকের অফিস এবং কর্ণধারের বাড়ি থেকে পুলিশের নেওয়া সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণের দাবি ইডির।
দুপুর ২.১৭: শেক্সপিয়র সরণি থানা-সহ একাধিক জায়গায় আধিকারিকদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এফআইআরে স্থগিতাদেশ চাইল ইডি।
দুপুর ২: মধ্যাহ্নভোজের পর ফের শুরু শুনানি।
দুপুর ১: মধ্যাহ্নভোজের জন্য আপাতত মুলতুবি মামলা। তার আগে ইডিকে প্রশ্ন করেন বিচারপতি মিশ্র, "আপনাদের কেন মনে হয় হাই কোর্টে মামলা চালানো যাবে না?"
বেলা ১২.৫২: অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল এস ভি রাজুর দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, নগরপাল-সহ পুলিশকর্তাদের বিরুদ্ধে এফআইআর করে তদন্ত শুরু হোক।
বেলা ১২.৪৬: রাজীব কুমারদের আইনজীবী, অভিষেক মনু সিংভির সওয়াল, "আপনারা বলছে মমতা নথিপত্র নিয়ে গিয়েছেন। আবার পঞ্চনামায় বলছেন তল্লাশি অভিযান শান্তিপূর্ণ হয়েছে। তাহলে স্পষ্ট করে বলুন, কোনটা সত্যি আর কোনটা মিথ্যা। আপনারা তল্লাশি শুরু করেছেন সকাল সাড়ে ৬টায়। পুলিশকে ই-মেল পাঠিয়েছেন বেলা সাড়ে ১১টায়। শুধুমাত্র কাগুজে প্রমাণ জোগাড় করার জন্য এটা করেছেন।"
বেলা ১২.৪৫: সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা অবশ্য বলেন, “বাংলায় এখন কোনও নির্বাচন নেই।” সিব্বলের সওয়াল, “যদি এটাই সলিসিটর জেনারেলের ধারণা হয়, তবে আর কী বলার থাকতে পারে।”
বেলা ১২.৪৩: বিচারপতি মিশ্র বলেন, "আপনাদের দাবি পরস্পরবিরোধী। ইডি কিছুই বাজেয়াপ্ত করেনি। সলিসিটর জেনারেলের কথামতো নির্বাচনের সময় যদি টাকা পাচার হয়, তা হলে ইডির দোষ কোথায়?”
বেলা ১২.৪২: কপিল সিব্বলের সওয়াল, “আইপ্যাক তৃণমূলের ভোটকৌশলী সংস্থা। আর তৃণমূল নেত্রী হিসাবে সেখানে যাওয়ার পূর্ণ অধিকার রয়েছে তাঁর। কেন ইডি একটি রাজনৈতিক দলের অফিসের সেই অংশে ঢুকল? নির্বাচনের সময় কেন এত তৎপরতা?"
বেলা ১২.৩৯: গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে মামলা খারিজের আবেদন তৃণমূলের।
বেলা ১২.৩৫: কপিল সিব্বলের সওয়াল, "পছন্দের সাংবাদিকদের কাছে আগেভাগে তথ্য পৌঁছে দিয়েছে ইডি, সিবিআিই।" ইডির পালটা সওয়াল, "আদালতের ভিতরের কথা জনসমক্ষে বলা উচিত নয়।"
বেলা ১২.৩২: "এবার ভোট কি আইপ্যাক করাবে?", প্রশ্ন সুপ্রিম কোর্টের। কপিল সিব্বলের সওয়াল, "২০২১ সালে আইপ্যাকের সঙ্গে তৃণমূল চুক্তিবদ্ধ হয়েছিল। সেই সময় থেকে ভোটকৌশল স্থির করে তারা। তা ইডি জানে।"
বেলা ১২.৩০: ইডির আইনজীবীর প্রশ্ন, "এমন কি ছিল সেখানে যার জন্য গোটা পুলিশবাহিনী নিয়ে যেতে হয়েছিল মমতাকে? হস্তক্ষেপ না করার অনুরোধও রাখতে পারলেন না। আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নন। তাই সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন।"
বেলা ১২.২৬: কপিল সিব্বলের সওয়াল, "আপনারা জানতেন আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি এবং অফিসে তৃণমূলের নানা তথ্য সম্বলিত কাগজপত্র আছে। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সেগুলি ছিনিয়ে নিতেই গিয়েছিলেন সেখানে আপনারা।নিজেরাই দাবি করেছিলেন সিজার লিস্ট কিছু নেই। শান্তিপূর্ণভাবে তল্লাশি হয়েছে বলেও দাবি করেছিলেন। তাহলে কেন বলছেন এসব?"
বেলা ১২.২০: বিচারপতি মিশ্র প্রশান্ত কিশোরের প্রসঙ্গ তোলেন। তিনি জানতে চান, এই আইপ্যাকের সঙ্গেই কি আগে প্রশান্ত কিশোর যুক্ত ছিলেন?
বেলা ১২.১৮: কলকাতা হাই কোর্টে শুনানির সময় হই হট্টগোলে 'শঙ্কিত' সুপ্রিম কোর্ট। কপিল সিব্বল ও অভিষেক মনু সিংভি মামলা হাই কোর্টে ফেরানোর আবেদন জানান। সিব্বলের দাবি, "কোনও অশান্তি ছাড়াই বুধবার হাই কোর্টে মামলার শুনানি হয়েছে।" তবে তাতে আপত্তি জানান সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি।
বেলা ১২.১৬: কেন আইপ্যাকের অফিস এবং কর্ণধারের বাড়িতে তল্লাশি, ইডিকে প্রশ্ন বিচারপতির। জবাবে ইডির সওয়াল, "আমরা তদন্তে গিয়েছিলাম। কয়লা পাচারের অভিযোগ পিএমএলএ ১৭ নম্বর ধারা অনুযায়ী তদন্তে গিয়েছিলাম। ইডির ডিরেক্টরের নির্দেশ অনুযায়ী কাজ হয়েছে। এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই। উলটে আমাদের হেনস্তা করা হচ্ছে। আমাদের নামে এফআইআর হয়েছে।"
বেলা ১২.১৪: ইডির আইনজীবী বলেন, "আইপ্যাকের কর্ণধারের বাড়ি ও অফিসে তল্লাশি হলেও তাদের তরফে এখনও কোনও অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। অথচ তৃণমূল করেছে।"
বেলা ১২.১৩: ইডির দাবি, "ডিসিপি সাউথ, সিপি ঘটনাস্থলে পৌঁছন। অনুপ্রবেশের অভিযোগ করেন। তার কিছুক্ষণের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী আসেন। আমরা যে ইলেকট্রনিক ডিভাইস-সহ নানা তথ্য বাজেয়াপ্ত করব ভেবেছিলাম, সেগুলি ছিনিয়ে নিয়ে যায়।"
বেলা ১২.১২: ইডির সওয়াল, "রাজ্যের আইনমন্ত্রী আদালতের কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে বিক্ষোভ দেখান। হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট রয়েছে। উনি সকলকে ৫ নম্বর ঘরে আসতে বলেন।" বিচারপতি বলেন, "আদালতকে তো যন্তরমন্তর বানিয়ে ফেলেছেন।" ইডির সওয়াল, "হ্যাঁ তেমনই পরিস্থিতি।" পালটা বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, "খুবই বিরল পরিস্থিতি।"
বেলা ১২.১১: ইডির দাবি, "আমরা ই-মেল করে স্থানীয় পুলিশকে প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশির কথা আগেই জানিয়েছিলাম।"
বেলা ১২.০৭: পুলিশ আধিকারিকদের সাসপেন্ডের দাবি ইডির।
বেলা ১২: ইডির তরফে সওয়াল অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার মেহতার। অভিযোগ, মমতা ডিসিপি সাউথ, সিপিকে সঙ্গে নিয়ে জোর করে বাড়িতে ঢোকেন। তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগ করেন তিনি। এর আগে তদন্তে বাধা দিতে ধরনায় বসে গিয়েছেন। সিবিআই দপ্তরে পাথর ছোঁড়া হয়। ইডি আধিকারিকদের কাছ থেকে নথি নিয়ে নেওয়া হয়েছে।
বেলা ১১.৫০: সুপ্রিম কোর্টে শুরু আইপ্যাক মামলার শুনানি।
