shono
Advertisement
Betel nut smuggling

বাংলাদেশ থেকে মাছের ট্রলারে দেড় কোটির বেআইনি সুপুরি পাচার! নেপথ্যে মালয়েশিয়া যোগ?

দু’টি ট্রলার থেকে উদ্ধার হল প্রায় দেড় কোটি টাকার বেআইনি সুপুরি।
Published By: Sayani SenPosted: 12:18 PM Apr 16, 2026Updated: 12:18 PM Apr 16, 2026

বাংলাদেশ থেকে মাছের ট্রলারে করে বেআইনি সুপুরি পাচার। এই রাজ্যের দু’টি মাছের ট্রলার ওড়িশায় আটক করে ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী। দু’টি ট্রলার থেকে উদ্ধার হল প্রায় দেড় কোটি টাকার বেআইনি সুপুরি। উপকূলরক্ষী বাহিনীর সূত্র জানিয়েছে, বুধবার কোস্ট গার্ডের টহলদার জাহাজ বঙ্গোপসাগরে দু’টি মাছের ট্রলারকে একসঙ্গে যেতে দেখে। কিন্তু জলে মাছ ধরার জন‌্য জাল ছড়ায়নি এই ট্রলার দু’টি। তাতেই সন্দেহ হয় টহলদার বাহিনীর সদস‌্যদের। জাহাজটি দু’টি ট্রলারকে আটক করে।

Advertisement

ট্রলার দু’টির উপর বাংলায় লেখা ‘মা আয়শা’ ও ‘মা আয়েশা’। মাঝিরা কোস্ট গার্ডের আধিকারিকদের জানান, দু’টি ট্রলারই এই রাজ্যের। কিন্তু ট্রলারের নথি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন বাহিনীর আধিকারিকরা। তাঁরা দু’টি ট্রলারের খোল পরীক্ষা করতে যান। কিন্তু মাছের ট্রলারে মাছের বদলে সাদা রঙের বস্তা দেখে বাহিনীর সন্দেহ হয়। সেগুলি খুলতেই তার ভিতর থেকে বেরিয়ে আসে সুপুরি। দু’টি ট্রলারের মাঝি ও কর্মীদের আটক করা হয়। ট্রলার দু’টিকে ওড়িশার কসাফল মেরিন থানার হাতে তুলে দেওয়া হয়।

কোস্টগার্ডের সূত্র জানিয়েছে, মোট ৭১০টি বস্তাভর্তি সুপুরি উদ্ধার হয়েছে। এর ওজন ৩৫ হাজার কিলো। এর দাম প্রায় দেড় কোটি টাকা। উপকূলরক্ষী বাহিনীর মতে, সাধারণত মালয়েশিয়া থেকে সুপুরি বেআইনিভাবে পাচার করা হয়। এই ক্ষেত্রে মালয়েশিয়া থেকে বেআইনি সুপুরি বাংলাদেশের সমুদ্রপথে পাচার করা হয়। সেগুলি কোনও বাংলাদেশি মাছের ট্রলারে করে নিয়ে আসা হয় বঙ্গোপসাগরে। এই রাজ‌্য থেকে দু’টি মাছের ট্রলার ওড়িশার আওতায় থাকা সমুদ্রে পৌঁছয়। সীমান্তবর্তী এলাকায় বাংলাদেশি ট্রলার থেকে বস্তাগুলি ‘মা আয়শা’ ও ‘মা আয়েশা’ নামের দু’টি ট্রলারের খোলে রাখা হয়।

বাহিনীর সন্দেহ, সেগুলি নিয়ে আসা হচ্ছিল এই রাজ্যের কোনও মৎস‌্যবন্দরে। সেখানেই রাতের অন্ধকারে সুপুরির বস্তা নামিয়ে তুলে দেওয়া হত কোনও মালবাহী গাড়িতে। সূত্রের খবর, এর আগে শুল্ক দফতর ও ডিআরআইয়ের হাতে ওই বেআইনি সুপুরি প্রচুর পরিমাণে ধরা পড়েছে। সাধারণত সোজা পথে বিদেশ থেকে সুপুরি আমদানি করতে গেলে মোটা শুল্ক দিতে হয়। সেই শুল্ক এড়ানোর জন‌্যই সাধারণত সুপুরি পাচার করা হয়। এবার শুল্ক দপ্তরের চোখ এড়াতে বন্দরের বদলে মাছের ট্রলারে তা পাচার করার পথ খুঁজছে পাচারকারীরা। এই সুপুরি শুধু খাওয়ার জন‌্য নয়, রং তৈরির কাজে বিপুলভাবে ব‌্যবহার করা হয়। পাচারকারীরা ‘মোডাস অপারেন্ডি’ পালটালেও এবার থেকে বেআইনি সুপুরি ধরতে মাছের ট্রলারগুলির উপর বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে উপকূলরক্ষী বাহিনী।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement