ভারত এখন বিশ্বের ষষ্ঠ বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ। ২০২৫ সালে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হলেও সাম্প্রতিক রিপোর্টে একধাপ নেমে গিয়েছে নয়াদিল্লি। কেন এই পতন? ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে জিডিপি সংশোধন এবং ডলার পিছু টাকার দামের মতো ফ্যাক্টরের কারণেই এই পরিস্থিতি বলে মনে করা হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডার IMF ও সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক তথ্য অনুযায়ী, ভারত রয়েছে আমেরিকা (৩০.৮ ট্রিলিয়ন ডলার), চিন (১৯.৬ ট্রিলিয়ন ডলার), জার্মানি (৪.৭ ট্রিলিয়ন ডলার), ব্রিটেন (৪ ট্রিলিয়ন ডলার), জাপানের (৪.৪৪ ট্রিলিয়ন ডলার) ঠিক পিছনেই। ভারতের রয়েছে ৩.৯২ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে।
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালে ভারত বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হয়েছিল। আইএমএফের রিপোর্টে বলা হয়, ভারত রয়েছে ৩.৫ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে। তার ঠিক আগেই ছিল ব্রিটেন (৩.৪ ট্রিলিয়ন ডলার)। ২০২৭ সালের মধ্যে ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হবে বলে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। নতুন রিপোর্টে সেই সম্ভাবনা যে ধাক্কা খেল তা বলাই বাহুল্য। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, ২০২৬ সালের রিপোর্টেও ভারত ষষ্ঠ স্থানেই থাকতে চলেছে। যদিও এরপর ফের হতে পারে 'কামব্যাক'। ২০২৭ সালে ব্রিটেনকে টপকে ভারত চার নম্বরে চলে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। ২০২৮ সালের মধ্যে নয়াদিল্লি টপকে যেতে পারে জাপানকেও। এমনই দাবি বিশেষজ্ঞদের।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডার IMF ও সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক তথ্য অনুযায়ী, ভারত রয়েছে আমেরিকা (৩০.৮ ট্রিলিয়ন ডলার), চিন (১৯.৬ ট্রিলিয়ন ডলার), জার্মানি (৪.৭ ট্রিলিয়ন ডলার), ব্রিটেন (৪ ট্রিলিয়ন ডলার), জাপানের (৪.৪৪ ট্রিলিয়ন ডলার) ঠিক পিছনেই।
সেই সঙ্গেই জানা যাচ্ছে, তালিকায় সামান্য অবস্থান পরিবর্তন সত্ত্বেও ভারত বিশ্বের দ্রুততম বর্ধিষ্ণু প্রধান অর্থনীতি হিসেবে নিজের অবস্থান ধরে রেখেছে। পাশাপাশি বিশ্বের হাতেগোনা কয়েকটি দেশের মধ্যে ভারত অন্যতম, যারা 'মিড টার্মে'ও ধারাবাহিক ভাবে ৬ শতাংশের বেশি হারে বৃদ্ধি ঘটাতে পারবে বলেই মনে করা হচ্ছে।
২০৩০ সালের মধ্যে ভারতের অর্থনীতির আকার ৬.১৭ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছবে বলে অনেক আগেই দাবি করা হয়েছে। এর ফলে জার্মানির সঙ্গে ভারতের অর্থনৈতিক ব্যবধান অনেকটাই কমে আসবে। পরবর্তী সময়ে ভারত বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় তিনটি অর্থনীতির দেশের তালিকায় নিজের স্থান করে নেবে। তবে তখনও ৩৯ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি নিয়ে আমেরিকা শীর্ষস্থান ধরে রাখবে। ২৭.৫ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি নিয়ে চিন থাকবে তার ঠিক পরেই।
