shono
Advertisement
Jharkhand

বিপুল ঋণ নিয়ে এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স ভাড়া, বিমান দুর্ঘটনায় অকূল পাথারে ঝাড়খণ্ডের পরিবার

সঞ্জয় ছাড়াও বিমানটিতে ছিলেন তাঁর স্ত্রী অর্চনা ও এক আত্মীয় ধ্রুব কুমার। এছাড়াও বিমানে সওয়ার ছিলেন বিকাশকুমার গুপ্ত নামে এক চিকিৎসক, সচিনকুমার মিশ্র নামে এক প্যারামেডিক ও দুই পাইলট।
Published By: Amit Kumar DasPosted: 02:22 PM Feb 24, 2026Updated: 03:54 PM Feb 24, 2026

উন্নত চিকিৎসার জন্য রাঁচি থেকে দিল্লি নিয়ে যেতে হবে রোগীকে। তার জন্য লাগবে এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স। বাড়ির ছেলেকে বাঁচাতে যাবতীয় সম্বল শেষ হয়ে যাওয়ার পর ৮ লক্ষ টাকা ঋণ নিয়ে এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স ভাড়া করেছিল সঞ্জয় কুমারের পরিবার। তবে দিল্লি পৌঁছনোর আগেই ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে পড়ে শুধু সঞ্জয় নয়, পরিবারের আরও দুই সদস্যের মৃত্যুর পাশাপাশি আর্থিকভাবেও অকূল পাথারে পড়ল ঝাড়খণ্ডের পরিবারটি।

Advertisement

জানা যাচ্ছে, বাড়ির পাশেই একটি ধাবা চালাতেন বছর ৪১-এর যুবক সঞ্জয় কুমার। দিন দশেক আগে শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগেছিল এই ধাবায়। অগ্নিকাণ্ডের জেরে গুরুতর আহত হয়েছিলেন সঞ্জয়। দুর্ঘটনার জেরে তাঁর শরীরের ৬৫ শতাংশ পুড়ে যায়। এতদিন রাঁচির একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। চিকিৎসকরা যথাসাধ্য চেষ্টা করলেও সঞ্জয়ের শারীরিক অবস্থার কোনও উন্নতি হয়নি। গুরুতর এই পরিস্থিতিতে সঞ্জয়ের উন্নত চিকিৎসার লক্ষ্যে তাঁকে দিল্লি নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলে পরিবার। সেই মতোই এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সের ব্যবস্থা করা হয়।

সঞ্জয়ের ভাই অজয় জানিয়েছেন, দাদার চিকিৎসার জন্য জমানো সমস্ত অর্থ শেষ হয়ে গিয়েছিল। তারপরও আত্মীয়-স্বজনদের কাছ থেকে চেয়ে ৮ লক্ষ টাকার মতো জোগাড় করা হয়েছিল। সেই টাকাতেই ভাড়া করা হয় এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স।

সঞ্জয়ের ভাই অজয় জানিয়েছেন, দাদার চিকিৎসার জন্য জমানো সমস্ত অর্থ শেষ হয়ে গিয়েছিল। তারপরও আত্মীয়-স্বজনদের কাছ থেকে চেয়ে ৮ লক্ষ টাকার মতো জোগাড় করা হয়েছিল। সেই টাকাতেই ভাড়া করা হয় এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স। সোমবার সন্ধ্যা ৭টা ১১ মিনিট নাগাদ রাঁচি থেকে দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেওয়ার পর ঝাড়খণ্ডের ছাতরায় সিমারিয়া জঙ্গলে ভেঙে পড়ে সেটি। কলকাতার এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল সূত্রে জানা গিয়েছে, ওড়ার কিছুক্ষণের মধ্যে সন্ধ্যা ৭টা ৩৪ মিনিট নাগাদ কলকাতা এটিএসের সঙ্গে বিমানটির যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। দুর্ঘটনার ঠিক আগে ১৪ হাজার ফুট উচ্চতায় উড়ছিল বিমানটি। এক সময় পাইলট ১৮ হাজার ফুট উচ্চতায় যাওয়ার জন্য এটিএসের কাছে অনুমতি চায়। যদিও এর পরেই রাডার থেকে হারিয়ে যায় বিমানটি।

জানা গিয়েছে, সঞ্জয় ছাড়াও বিমানটিতে ছিলেন তাঁর স্ত্রী অর্চনা ও এক আত্মীয় ধ্রুব কুমার। এছাড়াও বিমানে সওয়ার ছিলেন বিকাশকুমার গুপ্ত নামে এক চিকিৎসক, সচিনকুমার মিশ্র নামে এক প্যারামেডিক ও দুই পাইলট বিবেকবিকাশ ভগত ও সবরাজদীপ সিং। বিমান ভেঙে পড়ার পর ৭ জনেরই মৃত্যু হয়েছে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement