shono
Advertisement
Vaishno Devi Temple

বৈষ্ণোদেবী মন্দিরের ৫৫০ কোটির রুপো চুরি? তড়িঘড়ি তদন্তকারীদের কাছে রিপোর্ট চাইল আদালতের

রামমন্দিরে বিপুল টাকা ও দান সামগ্রী চুরি নিয়ে চর্চার মাঝেই এবার শিরোনামে জম্মু ও কাশ্মীরের বৈষ্ণোদেবী মন্দির। দানে পাওয়া ৫৫০ কোটি টাকার রুপো নকল, নাকি চুরি গিয়েছে সে সংক্রান্ত যাবতীয় রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তদন্তকারী সংস্থাকে।
Published By: Amit Kumar DasPosted: 08:05 PM Jul 14, 2026Updated: 08:05 PM Jul 14, 2026

রামমন্দিরে বিপুল টাকা ও দান সামগ্রী চুরি নিয়ে চর্চার মাঝেই এবার শিরোনামে জম্মু ও কাশ্মীরের বৈষ্ণোদেবী মন্দির। দানে পাওয়া ৫৫০ কোটি টাকার রুপো নকল, নাকি চুরি গিয়েছে সে সংক্রান্ত যাবতীয় রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তদন্তকারী সংস্থাকে। মঙ্গলবার এই নির্দেশ জারি করেছে জম্মু ও কাশ্মীরের একটি আদালত।

Advertisement

এই পুরো বিতর্কের সূত্রপাত গত মে মাসে। বৈষ্ণোদেবী মন্দিরের তরফে ৫৫০ কোটি টাকা মূল্যের প্রায় ২০ টন রুপোর দান সামগ্রী গলানো ও সংরক্ষণের পাঠানো হয়েছিল সরকারি টাঁকশালে। এই প্রক্রিয়া চলাকালীন জানা যায়, মন্দির কর্তৃপক্ষের তরফে যে রুপো পাঠানো হয়েছে তার মধ্যে মাত্র ৫ শতাংশ আসল রুপো। বাকি ৯৫ শতাংশই ক্যাডমিয়াম ও লোহা। প্রাথমিকভাবে মন্দির কর্তৃপক্ষের দাবি ছিল, ভক্তরা অজান্তেই নকল রুপো ঈশ্বরের কাছে অর্পণ করেছেন। তবে বিষয়টি নিয়ে সরব হন আইনজীবী দীপক শর্মা। মন্দিরে দানের আসল রুপো বদলে নকল রুপো মেশানোর সন্দেহে জম্মু ও কাশ্মীরের ক্রাইম ব্রাঞ্চের ইনস্পেক্টর জেনারেলের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। ৯ মে দায়ের হওয়া সেই অভিযোগ পত্রে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, প্রতারণা, বিশ্বাসভঙ্গ, আত্মসাৎ এবং সরকারি নথিপত্রের বিকৃতি'-র অভিযোগ তোলা হয়। এছাড়াও সমস্ত নথি ও প্রমাণ সংরক্ষণের পাশাপাশি একটি এফআইআর দায়েরের দাবি জানান ওই আইনজীবী।

প্রাথমিকভাবে মন্দির কর্তৃপক্ষের দাবি ছিল, ভক্তরা অজান্তেই নকল রুপো ঈশ্বরের কাছে অর্পণ করেছেন। তবে বিষয়টি নিয়ে সরব হন আইনজীবী দীপক শর্মা।

তবে তাঁর অভিযোগে বিশেষ সক্রিয়তা দেখায়নি ক্রাইম ব্রাঞ্চ। এই অবস্থায় জম্মুর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আবেদন জানান তিনি। এই মামলায় ক্রাইম ব্রাঞ্চ তাদের স্ট্যাটাস রিপোর্টে জানিয়েছিল, এই অভিযোগ অনুমোদনের জন্য শ্রীনগরে ক্রাইম ডিপার্টমেন্ট হেডকোয়ার্টার্সে পাঠানো হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। যদিও অভিযোগকারী জানান, এই মামলায় ক্রাইম ব্রাঞ্চ এফআইআর দায়ের করতে বাধ্য। অভিযোগকারী সিসিটিভি ফুটেজ-সহ সমস্ত নথি সংগ্রহ এবং সংরক্ষণের আবেদন করেছেন। তিনি রুপোর নৈবেদ্যগুলি পরীক্ষা ও গলানো সম্পর্কিত অ্যাসে রিপোর্ট, ইলেকট্রনিক ডেটা এবং প্রমাণও চান।

এই মামলার শুনানিতেই এবার ক্রাইম ব্রাঞ্চকে যাবতীয় তথ্য জমা করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। আগামী ২৯ জুলাই মামলার পরবর্তী শুনানিতে সমস্ত নথিপত্রসহ ক্রাইম ব্রাঞ্চের তদন্তকারী আধিকারিককে ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement