shono
Advertisement
Kidney racket

MBA পড়ার খরচ জোটাতে কিডনি বিক্রি! পড়ুয়ার সূত্র ধরে জালে গোটা চক্র, গ্রেপ্তার ৫ চিকিৎসক

পুলিশের তরফে জানা গিয়েছে, বিরাট এই কিডনি পাচার চক্র ছড়িয়ে রয়েছে কানপুর, লখনউ, দিল্লি, মুম্বই, কলকাতা এবং নেপালে।
Published By: Amit Kumar DasPosted: 10:12 AM Apr 01, 2026Updated: 10:37 AM Apr 01, 2026

পড়ার খরচ জোগাড় করতে কিডনি বিক্রি করেছিলেন এমবিএ পড়ুয়া! কিডনি খুইয়ে আর্থিকভাবে প্রতারিত হয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। সেই সূত্র ধরে তদন্তে নেমে দেশে বিরাট কিডনি পাচার চক্রের সন্ধান পেল কানপুর পুলিশ। গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৫ জন চিকিৎসক-সহ মোট ৬ জনকে। পুলিশের তরফে জানা গিয়েছে, বিরাট এই কিডনি পাচার চক্র ছড়িয়ে রয়েছে কানপুর, লখনউ, দিল্লি, মুম্বই, কলকাতা এবং নেপালে।

Advertisement

পুলিশের তরফে জানা গিয়েছে, দেরাদুনের এক নামী কলেজের এমবিএ চতুর্থ সেমিস্টারের এক পড়ুয়া ভর্তির টাকা দিতে না পারায় নিজের কিডনি বিক্রির সিদ্ধান্ত নেন। সেই মতো সোশাল মিডিয়ায় এক পাচার চক্রের সঙ্গে যোগাযোগ হয় তাঁর। চুক্তি ছিল কিডনির বিনিময়ে ১০ লক্ষ টাকা দেওয়া হবে তাঁকে। অপারেশন করে কিডনি বের করে নেওয়ার পর পড়ুয়াকে ৫০০০০ টাকা কম দেওয়া হয়। প্রতারিত হয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হন ওই পড়ুয়া।

চুক্তি ছিল কিডনির বিনিময়ে ১০ লক্ষ টাকা দেওয়া হবে তাঁকে। অপারেশন করে কিডনি বের করে নেওয়ার পর পড়ুয়াকে ৫০০০০ টাকা কম দেওয়া হয়।

যুবকের দাবি অনুযায়ী, ৫-৬ মাস আগে টেলিগ্রামে একটি কিডনি ডোনার গ্রুপের সঙ্গে যোগাযোগ হয় তাঁর। সেখানে কিডনি বিক্রির ইচ্ছে প্রকাশ করলে দুই চিকিৎসক আফজল ও বৈভব ওই পড়ুয়াকে কানপুরে নিয়ে আসেন। সেখানে অস্ত্রপচার করে কিডনি নিয়ে নেওয়া হলেও চুক্তি মতো টাকা দেওয়া হয়নি। ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ ওই দুই চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করতেই একে একে সামনে আসে গোটা দেশে ছড়িয়ে থাকা কিডনি বিক্রির ভয়ংকর র‍্যাকেট। জানা যায়, একাধিক চিকিৎসক জড়িয়ে রয়েছেন এই চক্রের সঙ্গে। শুধুমাত্র এই চক্রটি এখনও পর্যন্ত ৪০-৫০ জনের কিডনি পাচার করেছে অবৈধভাবে।

পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার ৫ চিকিৎসক-সহ ৬ অভিযুক্ত।

কানপুরের পুলিশ কমিশনার রঘুবীর লাল বলেন, শুধু কানপুর নয়, লখনউ, দিল্লি, মুম্বই, কলকাতা এবং নেপালে। ঘটনার তদন্তে রাজ্যের স্বাস্থ্য বিভাগের আধিকারিকদের সঙ্গে মিলে যৌথদল তৈরি করা হয়েছে। পুলিশের র‍্যাডারে রয়েছে শহরের তিন বেসরকারি হাসপাতাল, আহুজা হাসপাতাল, প্রিয়া হাসপাতাল ও মেড লাইফ হাসপাতাল। পুলিশের দাবি, সাধারণ মানুষের অসহায়তার সুযোগ নিয়ে এই চক্র দীর্ঘদিন ধরেই এই কুকীর্তি চালিয়ে আসছে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement