বাবার আশ্রম। প্রচুর ভক্ত সমাগম। শ'য়ে শ'য়ে ভক্তদের সামনেই কুকীর্তি স্বঘোষিত ধর্মগুরুর। বাবা-মায়ের সামনেই নাবালিকাকে টেনে চুমু খেলেন তিনি। এটাই নাকি বাবার আশীর্বাদ। নিমেষে সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে সেই ভিডিও। যা প্রকাশ্যে আসার পর অবশ্য নড়েচড়ে বসেছে পুলিশ।
ঘটনাটা কর্নাটকের ইয়াদগির জেলার। সেখানকার স্থানীয় এক আশ্রমের স্বঘোষিত ধর্মগুরু মল্লিকার্জুন মুতায়া এই কাণ্ডটি ঘটিয়েছেন। সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, এক নাবালিকাকে জাপটে ধরে তাঁর ঠোঁটে চুমু খাচ্ছেন ওই 'বাবা।' ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর ওই স্বঘোষিত বাবার বিরুদ্ধে পকসো আইনে মামলা দায়ের করেছে কর্নাটক পুলিশ। তাৎপর্যপূর্ণভাবে, ওই ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পরই বাবা পলাতক।
যদিও পরে ওই স্বঘোষিত বাবা মল্লিকার্জুন মুতায়া দাবি করেছেন, তিনি পালিয়ে যাননি। তাঁর দাবি, তাঁর উদ্দেশ্য একেবারেই খারাপ ছিল না। তিনি অপত্য স্নেহেই ওই নাবালিকাকে 'আশীর্বাদ' করছিলেন। তিনি পালিয়েও যাননি বলে দাবি ওই ধর্মগুরুর। তিনি নাকি নিজের এলাকাতেই গণবিবাহের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত। অথচ, পুলিশ নাকি তাঁর খোঁজ পাচ্ছে না।
কর্নাটক পুলিশ সূত্রের দাবি, যে নাবালিকাকে চুমু খেয়েছেন বাবা, সে মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা। বাবার আশীর্বাদ পেতেই মহারাষ্ট্র থেকে কর্নাটক যায় তারা। যদিও পরে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেছে নাবালিকার পরিবার। পকসো আইনে মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই আশ্রমে উপস্থিত ভক্তদের বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে। তবে এখনও বাবার হদিশ পাওয়া যায়নি। প্রশ্ন হল, বাবা যদি পালিয়ে না গিয়ে থাকেন তাহলে তাঁকে কেন গ্রেপ্তার করতে পারছে না পুলিশ। তাহলে কি নেপথ্যে কোনও প্রভাবশালীর হাত রয়েছে।
