নাবালককে হাতুড়ি দিয়ে থেঁতলে খুন করে তার মাংস ভক্ষণের অভিযোগ উঠল এক যুবকের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার হাড়হিম ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের (Madhya Pradesh) দামোহ জেলার সামান্যা গ্রামে। শুধু তা-ই নয়, খুনের পর নাবালকের রক্তপান করারও অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। গোটা ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে এলাকায়।
পুলিশ সূত্রে খবর, নিহত কিশোরের নাম ভরত বিশ্বকর্মা (১৬)। বৃহস্পতিবার দুপুরে সে তার দিদির শ্বশুরবাড়িতে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাচ্ছিল। মাঝপথে গুড্ডা প্যাটেল নামে এক যুবক তার উপর হঠাৎ চড়াও হয় বলে অভিযোগ। পিছন থেকে লোহার রড দিয়ে ভরতের মাথায় আঘাত করেন গুড্ডা। সঙ্গে সঙ্গে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে সে। তারপরই ভরতের উপর এলোপাথাড়ি হামলা চালানো হয়। প্রকাশ্যে ভরতকে হাতুড়ি দিয়ে ক্রমাগত আঘাত করেন গুড্ডা। থেঁতলে যায় নাবালকের মাথা, মুখ এবং শরীরের অন্যান্য অংশ। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তার।
স্থানীয় সূত্রে খবর, ভরতের মৃত্যু নিশ্চিত হতেই তার শরীর থেকে বেরিয়ে আসা রক্ত পান করতে থাকেন গুড্ডা। শুধু তা-ই নয়, ধারালো অস্ত্র দিয়ে নাবালকের শরীরের বিভিন্ন স্থান থেকে মাংস কেটে তা ভক্ষণ করেন ওই যুবক। এরপরই গুড্ডা সেখান থেকে চম্পট দেওয়ার চেষ্টা করলে তাঁকে ধাওয়া করে ধরে ফেলেন গ্রামবাসীরা। খবর দেওয়া হয় পুলিশে। গ্রামবাসীদের দাবি, গুড্ডাকে ধরার সময় তিনি ধারালো অস্ত্র দিয়ে আক্রমণের চেষ্টা করেন। পরে পুলিশ আধিকারিকরা তাঁকে গ্রেপ্তার করে। কিন্তু কী কারণে তিনি এমন কাণ্ড ঘটালেন তা এখনও স্পষ্ট নয়। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
