সংসদের বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্ব শুরু হতে চলেছে আগামী সোমবার, ৯ মার্চ থেকে। অধিবেশন শুরুর আগেই লোকসভায় রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে। কারণ, শুরুতেই লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বিরুদ্ধে আনা অপসারণ প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে জোর জল্পনা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে নিজেদের সাংসদদের পূর্ণ উপস্থিতি নিশ্চিত করতে বিজেপি ও কংগ্রেস - দুই শিবিরই হুইপ জারি করেছে। সূত্রের খবর, বিজেপি তাদের লোকসভা সাংসদদের জন্য ৯ ও ১০ মার্চ তিন লাইনের হুইপ জারি করেছে। দলীয় নির্দেশে ওই দুই দিন সাংসদদের সংসদে উপস্থিত থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একইভাবে কংগ্রেসও তাঁদের সাংসদদের জন্য ৯ থেকে ১১ মার্চ পর্যন্ত হুইপ জারি করেছে। ফলে বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্বের শুরুতেই লোকসভায় তীব্র রাজনৈতিক লড়াইয়ের ইঙ্গিত মিলছে। এখনও পর্যন্ত এনিয়ে এরাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি বলেই খবর।
সূত্রের খবর, বিজেপি তাদের লোকসভা সাংসদদের জন্য ৯ ও ১০ মার্চ তিন লাইনের হুইপ জারি করেছে। দলীয় নির্দেশে ওই দুই দিন সাংসদদের সংসদে উপস্থিত থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একইভাবে কংগ্রেসও তাঁদের সাংসদদের জন্য ৯ থেকে ১১ মার্চ পর্যন্ত হুইপ জারি করেছে।
প্রসঙ্গত, গত মাসে বাজেট অধিবেশনের প্রথম পর্ব চলাকালীন কংগ্রেসের উদ্যোগে একাধিক বিরোধী দল একজোট হয়ে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে অপসারণের দাবিতে নোটিস জমা দিয়েছিল। সংসদের নিয়ম অনুযায়ী, স্পিকারের বিরুদ্ধে অপসারণ প্রস্তাব আনতে নির্দিষ্ট সংখ্যক সাংসদের সমর্থন প্রয়োজন হয়। বিরোধীদের জমা দেওয়া ওই নোটিসে প্রায় ১১৮ জন সাংসদের স্বাক্ষর রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। নোটিসে অভিযোগ করা হয়েছে, সংসদের কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে স্পিকার পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করেছেন এবং বিরোধী দলগুলিকে পর্যাপ্ত সুযোগ দেওয়া হয়নি। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই তাঁর বিরুদ্ধে অপসারণ প্রস্তাব আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে বিরোধীদের দাবি।
তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, স্পিকারের বিরুদ্ধে ওই নোটিসে তৃণমূল কংগ্রেসের কোনও সাংসদ সই করেননি। ফলে এই ইস্যুতে বিরোধী শিবিরের মধ্যেও একটি স্পষ্ট দূরত্ব চোখে পড়েছে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে। সব মিলিয়ে বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্ব শুরু হতেই লোকসভায় উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা করছে রাজনৈতিক মহল। এখন দেখার, স্পিকারকে ঘিরে এই বিরোধ কতটা দূর গড়ায় এবং সংসদের কার্যক্রমে তার কী প্রভাব পড়ে।
